ফলে বেশিরভাগ সময়েই আমরা অনেকেই আকর্ষিত হয়ে পড়েন সেই সব আবিরের প্রতি। কিন্ত অপেক্ষাকৃত সস্তা কেমিক্যাল যুক্ত এই আবিরে অনেক সময় থাকে ক্ষতিকারক সিসা, ক্রোমিয়াম ও কাঁচের গুঁড়ো মত ক্ষতিকর জিনিস। যা ত্বক, চুল ,চোখের বিভিন্ন ক্ষতি করে। এমনকি এর থেকে ত্বকের ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। আবার অনেক সময় এই আবির কোনওভাবে মুখে চলে গেলে ক্ষতি হতে পারে শিশুদের। উৎসবের আনন্দ যেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত না হয়, সেই লক্ষ্যে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগিতায় বিদ্যালয়েই নেওয়া হয়েছে ভেষজ আবির তৈরির উদ্যোগ।
advertisement
বাজারের ক্ষতিকারক আবিরকে বিদায় জানিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরাই তৈরি করছে সম্পূর্ণ ভেষজ উপায়ে আবির। এই আবিরে থাকবে না কোন ক্ষতিকর কেমিক্যাল এই আবির তৈরি করতে ব্যবহার করা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া জিনিসপত্র। যেমন গাঁদা ফুলের পাপড়ি, গোলাপের পাপড়ি, বিট,শাক সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফুল। পাশাপাশি সুগন্ধের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে সেন্ট, গোলাপ জল, পাউডার এবং রং টেকসই করার জন্য ফটকিরি ও এরারুট। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হল পড়ুয়াদের হাতে-কলমে শিক্ষার পাশাপাশি তাদের মধ্যে সমাজ সচেতনতা তৈরি করা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আর বসন্ত উৎসবের জন্য হাতের কাছে থাকা বিভিন্ন জিনিস দিয়েই নিজেদের হাতে আবির তৈরি করতে পেরে খুশি পড়ুয়ারাও। তারা বলেন এবছর তারা এই আবিরটি ব্যবহার করবে। আসন্ন বসন্ত উৎসবে কৃত্রিম রঙের বিষাক্ত কবল থেকে মুক্তি পেতে বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ের এই ‘ভেষজ বিপ্লব’ এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁরা চান এই সচেতনতা কেবল বিদ্যালয়ের চার দেওয়ালে মধ্যে নয়, ছড়িয়ে পড়ুক সমাজের প্রতিটি স্তরে। তবেই সার্থক হবে বসন্তের এই আনন্দ উৎসব। ক্ষতিকর রাসায়নিককে বিদায় জানিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের তৈরি এই নিরাপদ আবিরেই আসুক আগামীর রঙিন দিন।





