তবে বর্তমানে ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে মহাকবি কাশীরাম দাসের জন্মভিটে, তা দেখলে অবাক হয়ে যাবেন। বাড়ি ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়বে দরজার ওপর লেখা আছে মহাভারত বাংলা রচয়িতা মহাকবি কাশীরাম দাসের জন্মভিটে। এরপর বাড়ির ভিতর উঠোনে প্রবেশ করলে দেখা যাবে একটি মন্দির, যেখানে মহাকবি কাশীরাম দাসের স্মৃতি রক্ষার্থে একটি মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্দিরটিতে রয়েছে মহাকবি কাশীরাম দাসের পিতা এবং দুই ভাইয়ের মূর্তি।
advertisement
আরও পড়ুন: জয়নগরের অলিগলিতেও অটোর দাদাগিরি, ঠেলাঠেলিতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ! কালঘাম ছুটছে অন্য চালকদের
গ্রামবাসীরা এখন এই জায়গার দেখাশোনা করেন। পঞ্চায়েত থেকেও নজর দেওয়া হয়। সিঙ্গি গ্রামে “কাশীরাম দাস স্মৃতি রক্ষা কমিটি” তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কমিটি এই জন্মভিটে দেখাশোনা করেন। অনেকেই এখন এই জায়গা দেখার জন্য আসেন। তবে বর্তমানে বাড়ি জুড়ে অযত্নের ছাপ স্পষ্ট। ফাটল ধরেছে বাড়ির দেওয়ালে। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বাড়ির একাংশ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কাটোয়া থেকে ঘুরতে এসে দিবাকর দেবনাথ নামের এক যুবক বলেন, “আগে আগাছায় ঢাকা ছিল, এখন সেগুলি দেখছি পরিষ্কার করা হয়েছে। বেশ ভাল লাগল দেখে। তবে বাড়ির যেটুকু পরিকাঠামো রয়েছে, সেটিকে সংস্কার করা গেলে স্মৃতিচিহ্ন টা রয়ে যাবে।” যদি অতিসত্ত্বর মহাকবির এই জন্মভিটের ওপর নজর না দেওয়া হয়, তাহলে বাড়িতে মন্দির থাকলেও বসত ঘরের আর কোনও অস্তিত্ব থাকবে না। চিরতরে মুছে যাবে কবির বসত বাড়ির স্মৃতি চিহ্ন।





