বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল গার্লস স্কুল৷ অভিযোগ, এই সরকার পোষিত স্কুলের প্রি প্রাইমারিতে ভর্তির জন্য অভিভাবকদের কাছ থেকে কুড়ি হাজার টাকা করে ঘুষ নেওয়া হচ্ছিল৷ স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজসে এই কাজ করছিল অমিত চোঙদার নামে ওই নিরাপত্তারক্ষী, অভিযোগ এমনটাই। সোমবার স্কুলের সামনে ওই ব্যক্তিকে আটক করে ক্ষোভপ্রকাশ করেন অভিভাবকেরা। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ গিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে।
advertisement
নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ওইদিন রাতে অভিযুক্ত নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। মঙ্গলবার তাঁকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁকে দুদিন পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। স্কুলের কে কে এই ঘটনায় জড়িত তা জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ।
অভিভাবকদের অভিযোগ, এই স্কুলে প্রাক প্রাথমিকে ভর্তির জন্য কুড়ি হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল। ওই নিরাপত্তারক্ষী মারফত পাঁচ হাজার টাকা করে অগ্রিম নেওয়া হচ্ছিল। বাকি টাকা ভর্তির পরে দিতে হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনা জানাজানি হয়ে গেলে সোমবার স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখায় অভিভাবকরা। ওই নিরাপত্তারক্ষী টাকা নিয়ে ভর্তির বিষয়টি স্বীকার করে নেয়। এরপর এক অভিভাবকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই নিরাপত্তারক্ষীকে গ্রেফতার করে বর্ধমান থানার পুলিশ।
অভিভাবকদের বক্তব্য, সিকিউরিটি গার্ডকে সামনে রেখে আড়াল থেকে এই প্রক্রিয়া চালাচ্ছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাই কোন কোন শিক্ষিকা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সেটাও সামনে আসা প্রয়োজন। পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত করে উৎকোচের টাকা কোথায় যাচ্ছিল তা সামনে আনুক। সেই সঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত বাকি সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্হা করুক শিক্ষা দফতর।
