চিকিৎসার জন্য আসা রোগী ও তাঁদের পরিজনেরা বহির্বিভাগ পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ শুরু করেছেন। অভিযোগ, সকাল ন’টার বদলে অধিকাংশ দিনই সোয়া ১০টা থেকে সাড়ে ১০টার আগে পরিষেবা শুরু হয় না। এমনকি টিকিট কাউন্টারও নির্ধারিত সময় সকাল আটটার পরিবর্তে প্রায়ই সোয়া ন’টার আগে খোলে না। ফলে ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা রোগীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
advertisement
হাড়ের চিকিৎসককে দেখাতে আসা সন্তোষী মণ্ডল বলেন, “দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করছি। প্রায় রোজই চিকিৎসক দেরিতে আসেন।” পাশাপাশি হাসপাতাল থেকে সব ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। আর এক রোগী মনোজিৎ বিশ্বাস জানান, “চিকিৎসক তিনটি ওষুধ লিখেছিলেন, একটি হাসপাতালে পেলেও বাকি দু’টি বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে।”
শুধু বহির্বিভাগ নয়, ভর্তি রোগীদের পরিজনদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে। মেডিসিন বিভাগে ভর্তি তাপস বিশ্বাসের মেয়ে তনুশ্রী অভিযোগ করেন, “শনিবার ভর্তি করার পর সোমবার পর্যন্ত মাত্র দু’বার চিকিৎসক দেখেছেন। রবিবার রাতে সমস্যা বাড়লেও চিকিৎসক আসেননি।” অন্যদিকে, এক রোগীর আত্মীয় মীরাজুল শেখ জানান, সাতটি পরীক্ষার মধ্যে বেশিরভাগই বাইরে থেকে করাতে বলা হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এর মধ্যেই কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে লিফ্ট বিকলের ঘটনাও সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, একটি লিফ্টে এক চিকিৎসক প্রায় দশ মিনিট আটকে ছিলেন, পরে তাঁকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। এ প্রসঙ্গে হাসপাতালের সুপার চন্দ্রশেখর মাইতি বলেন, “এই ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে পরিষেবা আরও আগে শুরু করার ব্যবস্থা করা হবে। লিফ্টের সমস্যাও একটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল, যা এখন মিটে গিয়েছে।”






