এর আগে চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকায় তাঁকে শুনানির মুখোমুখি হতে হয়। নির্দিষ্ট সময়ে হিয়ারিংয়ে উপস্থিত হয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে কলিতা বলেন, “আমাকে যখন হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল, আমি গিয়েছিলাম এবং সব কাগজপত্র দেখিয়েছিলাম। আমরা সাত বোন এক ভাই, সবার নাম তালিকায় ছিল, শুধু আমারটাই বাদ পড়েছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন এবং আমার দলের উপর আস্থা ছিল যে সমস্যার সমাধান হবেই।”
advertisement
অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় নিজের নাম দেখে খুশি কলিতা। পাশাপাশি তিনি জানান, তাঁর আশেপাশে যাঁদের নাম বাদ পড়েছিল, তাঁদের অনেকেরই নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে এবং বাকিদের সমস্যারও দ্রুত সমাধান হোক, সেটাই তিনি চান। ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এই জটিলতা মিটে যাওয়ায় এখন পুরোপুরি নির্বাচনী প্রচারে মন দিতে পারছেন কলিতা মাঝি।
পেশায় পরিচারিকা হলেও দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন বিজেপির এই নেত্রী। ২০১৪ সালে বুথ কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন।প্রতিদিন সকালে দু’টি বাড়িতে কাজ সেরে দুপুর থেকে শুরু করছেন প্রচার। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন, সমর্থন চাইছেন।
তাঁর কথায়, আসলে পরিবারের সদস্যরা সংসারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বলেই তিনি পুরো সময় দিতে পারছেন রাজনীতিতে। কলিতার দাবি, মানুষের সাড়া ভালই পাচ্ছেন এবং এই লড়াইয়ে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী তিনি।গরিব পরিবারের মেয়ে থেকে বিধানসভা প্রার্থী,এই পথচলায় নানা বাধা এলেও তা পেরিয়ে এগিয়ে চলেছেন কলিতা মাঝি। এখন দেখার, ভোটার তালিকার জট কাটিয়ে ওঠার পর নির্বাচনী ময়দানে তিনি কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন।






