দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, ‘‘এখানে কোনও হ’ল মালিক ভয়ে আমাদের হ’ল দিচ্ছে না৷ আমাদের পার্টি অফিস সমুদ্রের ধারেই৷ সেখানেই এক্সটেনশন করে কাদার মধ্যে বাঁশের খুঁটি পুঁতে একটা মঞ্চ করা হয়েছিল৷ কাদার মধ্যে যেহেতু বাঁশ আছে, তাই খানিকটা বসে যায়৷ ’’
এরপরেই একেবারে নিজস্ব মেজাজে দিলীপ ঘোষের উত্তর, ‘‘আমরা তো মঞ্চ নয়, সরকারটা ভাঙতে চাই আর ছাব্বিশে সেটা হবে৷’’
advertisement
তৃণমূলের বিভিন্ন সভায় র্যাম্প তৈরি নিয়ে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘আমরা তো মাটিতে বসেই মিটিং করছি৷ ওদের মতো বড় বড় ওই ফ্যাশন শো করি না ওদের মতো কোটি কোটি টাকা খরচা করে৷ সমুদ্রের ধারে খুঁটি পুঁতে সেখানেই আমাদের কর্মিসভা হয়েছে৷’’
রবিবার গোসাবা ঘাট সংলগ্ন বিজেপির দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক নম্বর মণ্ডলের উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বুথ স্তরে সংগঠন মজবুত করা, কর্মীদের সক্রিয় করা এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েই এই কর্মসূচি বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। সকাল থেকেই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কর্মী–সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করে।
আরও পড়ুন :‘এসআইআর-এর কাজ সম্পূর্ণ করতে বাধা দিতে পারি না,’ পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে জানাল সুপ্রিম কোর্ট
সভাস্থলে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। দিলীপ ঘোষ সভাস্থলে পৌঁছনোর পর তাঁকে স্বাগত জানাতে বহু কর্মী মঞ্চে উঠে পড়েন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, মঞ্চে অতিরিক্ত ভিড় ও ওজনের চাপে আচমকাই মঞ্চের একটি অংশ বসে যায়। সঙ্গে সঙ্গে হুড়োহুড়ি পড়ে গেলেও বড় কোনও দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে।
দিলীপ ঘোষ দ্রুত মঞ্চ থেকে নেমে আসেন এবং স্থানীয় নেতৃত্ব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কয়েক মিনিটের জন্য কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়। পরে ভেঙে যাওয়া মঞ্চ অস্থায়ীভাবে সামলে নিয়ে আবার কর্মশালা শুরু হয়। সেই মঞ্চে দাঁড়িয়েই দিলীপ ঘোষ কর্মীদের উদ্দেশে বক্তৃতা করেন।
