জানা গিয়েছে, ৯ ফেব্রুয়ারির ঘটনার পরপরই বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি ওঠে। রাজেশ চৌহানের বক্তব্য অনুযায়ী, জিটিএ প্রধান অনীত থাপা স্বাস্থ্য দফতরের মুখ্যসচিবকে ঘটনাটি খতিয়ে দেখার আবেদন জানান এবং দার্জিলিংয়ের সিএমওএইচ-কে (CMOH) প্রাথমিক নথিভুক্তির নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশনও করা হয়। পরবর্তীতে সেই নথি জেলা পুলিশ সুপারের দফতরে পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মুদিখানা দোকানের আড়ালে মাদকের কারবার! পুলিশের অভিযানে খেল খতম, উদ্ধার মাদক সহ লক্ষাধিক টাকা
এদিন সিএমওএইচ জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে দায়ের করা অভিযোগ এখন পুলিশের তদন্তের আওতায়। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
রাজেশ চৌহান জানান, পুলিশ প্রশাসন ইতিমধ্যেই দার্জিলিং শাখার অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় জিটিএ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “জিটিএ কখনও নীরব ছিল না। আমাদের প্রভাব ও প্রশাসনিক সীমার মধ্যে যা যা করা সম্ভব, আমরা তা করেছি।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনাকে ঘিরে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়লেও প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ছাত্রছাত্রীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। ইতিমধ্যেই মামলা আদালতে গড়িয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি ঘিরে সর্বস্তরে নজর রয়েছে।






