ফলে এই কেন্দ্রে এবারের লড়াই ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ অনেকাংশেই বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলীয় প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার পর থেকেই প্রচারে নেমে পড়েছেন সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। জয়ের ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আশাবাদী বলেই জানিয়েছেন।
শাসক দলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এবং বেকারত্বকে মূল ইস্যু করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে চান তিনি। পাশাপাশি, উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি এবং স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার আশ্বাসও দিচ্ছেন এই বিজেপি প্রার্থী। বেকারত্ব নিয়েও সুর চড়িয়েছেন তিনি। সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় জানান, দীর্ঘদিন কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও প্রতিবছরই বাড়ির পুজোর সময় নৈহাটিতে আসেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুন- প্রশাসনিক রদবদলে রঙ্গমঞ্চ! একই দিনে দু’বার জেলাশাসক বদল আলিপুরদুয়ারে, তাজ্জব সকলে
সেই সূত্রেই এলাকার মানুষের সমস্যার সঙ্গে কিছুটা হলেও পরিচিত হয়েছেন বলে দাবি তাঁর। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের নির্বাচনে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চান তিনি। একের পর এক ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন তিনি। এখন দেখার, ঐতিহ্য ও আবেগকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী ময়দানে নেমে বিজেপি প্রার্থী সুমিত্র চট্টোপাধ্যায় কতটা মানুষের সমর্থন আদায় করতে পারেন এবং শাসক দলের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে সক্ষম হন।





