বক্রেশ্বর মন্দির কমিটির সেবাইত বাবলু চক্রবর্তী নিজে দাঁড়িয়ে থেকে পড়ুয়াদের এই বিশেষ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ে সাহায্য করেন। তিনি জানান, “ওরা তো বক্রেশ্বর শিব মন্দিরের পরিকাঠামো দেখতে পাবে না, তাই আমি চেয়েছি ওরা যেন অন্তত প্র্যাকটিক্যালি হাত দিয়ে সব অনুভব করতে পারে। ফুটন্ত জল ছুঁয়ে ওরা উষ্ণতা অনুভব করল। লাইনে থাকা অন্য দর্শনার্থীরাও ওদের জন্য পথ ছেড়ে দিয়েছেন।”
advertisement
প্রধান শিক্ষক সন্দীপ বাবু জানান, প্রথমে তারা যান দাতা বাবার মাজার। সেখান থেকে বক্রেশ্বর। এরপরের গন্তব্য ছিল মামা-ভাগ্নে পাহাড়। কেবল ভ্রমণই নয়, শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্কে সময় কাটানো এবং ঐতিহাসিক হেতমপুর রাজবাড়ি ও নীল নির্জন ড্যামও রয়েছে তাদের তালিকায়। রাজবাড়ির বর্তমান সদস্যদের সঙ্গে পড়ুয়াদের আলাপ করিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে তারা ইতিহাসের জীবন্ত স্বাদ পায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই আনন্দঘন সফরের মধ্যেই মিশে রয়েছে বিষণ্ণতার সুর। চলতি মাসের ২৮ তারিখে প্রধান শিক্ষক সন্দীপ দাস অবসর নিচ্ছেন। আক্ষেপের সুরে তিনি জানান, স্কুলে বর্তমানে ৪ জন অ্যাকাডেমিক শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও, তার অবসরের পর স্কুলে কোন স্থায়ী শিক্ষক থাকছেন না। প্রধান শিক্ষক সন্দীপ দাস বলেন, “আমার স্বপ্ন ছিল এই বিশেষ শিশুদের একটা জায়গায় পৌঁছে দেওয়া। আমি তাতে সফল হয়েছি। কিন্তু আমার বিদায়ের পর স্কুলটি কীভাবে চলবে তা নিয়ে শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।”





