জানা গিয়েছে, শিশু বিভাগের একটি বেডে বালিশের পাশে রাখা ছিল মোবাইলটি। প্রত্যক্ষদর্শী আর্জিনা বিবি জানান, আচমকাই ফোনটিতে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়। সেই সময় ওয়ার্ডে শিশুদের ইনজেকশন দেওয়ার কাজ চলছিল। হঠাৎ বিকট শব্দ ও আগুন দেখে আতঙ্কিত পরিজনেরা বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নিরাপত্তার খাতিরে ওয়ার্ডের প্রধান দরজা বন্ধ থাকায় সাময়িকভাবে ভiতরেই আটকে পড়েন অনেকে। পরে নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত এসে জ্বলন্ত মোবাইলটি উদ্ধার করে বাইরে নিয়ে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
advertisement
ঘটনার ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে আর্জিনা বিবি বলেন, “ভয়ে এখনও বুক কাঁপছে। অক্সিজেন চলছিল ওয়ার্ডে, আগুন ছড়িয়ে পড়লে আমরা সবাই পুড়ে যেতাম।” তাঁর দাবি, মোবাইলটি বিস্ফোরণের সময় চার্জে না থাকলেও, মালিকপক্ষ স্বীকার করেছেন যে সকালে সেটি চার্জে বসানো ছিল। অন্য এক প্রত্যক্ষদর্শী প্রতিমা বাউরি বলেন, “সবাইকে দৌড়াতে দেখে আমিও আতঙ্কে দৌড়ে আসি। কী করে কী হল, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। শুধু শুনলাম মোবাইল ব্লাস্ট হয়েছে।”
আগুন লাগার খবর পেয়েই হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা তড়িঘড়ি শিশু বিভাগে পৌঁছান। তাঁরা মোবাইলটি ঘর থেকে বার করে অন্যত্র নিয়ে যান। এর কিছু ক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং পরিষেবা পুনরায় শুরু করা হয়।






