এছাড়াও, তিন ও দুই চাকার যান চলাচলের জন্য ব্যবহৃত আরও কয়েকটি অবৈধ ক্রসিং ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং অননুমোদিত যানবাহন চলাচল রোধ করতে সংযোগকারী রাস্তাগুলিতে বেড়া দেওয়া হয়েছে, যা যাত্রী ও ট্রেন উভয়ের জন্যই উন্নত নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
advertisement
এছাড়াও, ধাউনি–বারাহাট রেললাইনের কাছে থাকা ছয়টি অননুমোদিত ঝুপড়ি সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং রেললাইনের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার জন্য চিহ্নিত অন্যান্য সংবেদনশীল স্থানগুলিতে জলাশয় খনন ও ব্যারিকেড দেওয়ার কাজ চলছে।
এই উদ্যোগটি ভাগলপুর – বাঁকা – দুমকা বিভাগে চিহ্নিত বেশ কয়েকটি অনুপ্রবেশপ্রবণ স্থানকে সফলভাবে সুরক্ষিত করার একটি মাইলফলক। আশা করা হচ্ছে যে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলি যাত্রীদের নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে, ট্রেনের চলাচল মসৃণ ও নিরাপদ করবে এবং সামগ্রিক পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।
আরও পড়ুন: তাহেরপুর স্টেশনের ‘তাহের’ শব্দের অর্থ কী বলুন তো…? ‘উত্তর’ শুনলেই চমকে উঠবেন!
বাকি অনুপ্রবেশপ্রবণ স্থানগুলি পর্যায়ক্রমে সুরক্ষিত করা হবে, যা রাস্তায় নেমে পর্যা্যক্রমে নিরাপত্তা পরিকাঠামো জোরদার করতে এবং নিরবচ্ছিন্ন, নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে মালদা ডিভিশনের প্রতিশ্রুতিরই পুনঃনিশ্চিতি।
মালদহ ডিভিশন এই উদ্যোগগুলিতে জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করছে এবং সকলকে মনে করিয়ে দিচ্ছে যে রেল নিরাপত্তা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। পূর্ব রেলের মালদহ ডিভিশনের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার, মালদহ, শ্রী মনীশ কুমার গুপ্তে্র নির্দেশনায় সমন্বিত ফিল্ড ওয়ার্কের মাধ্যমে রেল নিরাপত্তা বাড়াতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে তার সক্রিয় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আরপিএফ পোস্ট ভাগলপুর এবং মালদহ ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মীদের নিয়ে একটি যৌথ নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করা হয়। রেল আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, দ্রুত গতির ট্রেন চলাচল করছে। ফলে অনুমতি বিহীন লেভেল ক্রসিং দিয়ে হঠাৎ করে বাইক, সাইকেল আরোহী চলে আসলে বিপদ বাড়ছে। তাই এই সিদ্ধান্ত।
