advertisement

তাহেরপুর স্টেশনের 'তাহের' শব্দের অর্থ কী বলুন তো...? 'উত্তর' শুনলেই চমকে উঠবেন!

Last Updated:
Taherpur: আমাদের খুব চেনা একটি রেল স্টেশন তাহেরপুর! শিয়ালদহ মেন লাইনের এই স্টেশন নদিয়া জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন । আচ্ছা বলুন তো দেখি এই স্টেশনের নামের পিছনে লুকিয়ে আছে কোন বড় কারণ? কী এই তাহের শব্দটির অর্থ?
1/6
১৯৫৪ সালের ৫ জুলাই তাহেরপুরে প্রথম ট্রেন চালিয়ে তাহেরপুর স্টেশনটির সূচনা করা হয়। তারপর সময়ের সঙ্গে পাল্লা শুরু হয় রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ ব্যবস্থা। ১৯৬৫ সালে স্টেশনটির বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন হয়। ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ
১৯৫৪ সালের ৫ জুলাই তাহেরপুরে প্রথম ট্রেন চালিয়ে তাহেরপুর স্টেশনটির সূচনা করা হয়। তারপর সময়ের সঙ্গে পাল্লা শুরু হয় রেলপথের বৈদ্যুতিকরণ ব্যবস্থা। ১৯৬৫ সালে স্টেশনটির বৈদ্যুতিকরণ সম্পন্ন হয়। ছবি ও তথ্য: মৈনাক দেবনাথ
advertisement
2/6
ইতিহাসবিদ শান্তনু ভট্টাচার্যের থেকে জানা যায়, তাহেরপুরের নামকরণ করা হয়েছে এক পাঠান জমিদার তাহির খানের নামে। শাণ্ডিল্য গোত্রের একজন ব্রাহ্মণ কামদেব ভট্ট বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলে (১৩৩৮-১৫৩৮) পাঠান জমিদার তাহির খানকে পরাজিত করে তাহেরপুর জমিদারির ভিত্তি স্থাপন করেন।
ইতিহাসবিদ শান্তনু ভট্টাচার্যের থেকে জানা যায়, তাহেরপুরের নামকরণ করা হয়েছে এক পাঠান জমিদার তাহির খানের নামে। শাণ্ডিল্য গোত্রের একজন ব্রাহ্মণ কামদেব ভট্ট বাংলার স্বাধীন সুলতানি আমলে (১৩৩৮-১৫৩৮) পাঠান জমিদার তাহির খানকে পরাজিত করে তাহেরপুর জমিদারির ভিত্তি স্থাপন করেন।
advertisement
3/6
তাহেরপুরের কামদেব বংশধর রাজা কংসনারায়ণ বাংলায় প্রথম মহা শারদীয় দুর্গাপূজা আয়োজন করেছিলেন। ভট্ট নারায়ণ থেকে শুরু করে কামদেব ভট্টের পূর্বসূরী পর্যন্ত এই রাজ পরিবার যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় দর্শন ও সাহিত্য চর্চা করে আসছে।
তাহেরপুরের কামদেব বংশধর রাজা কংসনারায়ণ বাংলায় প্রথম মহা শারদীয় দুর্গাপূজা আয়োজন করেছিলেন। ভট্ট নারায়ণ থেকে শুরু করে কামদেব ভট্টের পূর্বসূরী পর্যন্ত এই রাজ পরিবার যুগ যুগ ধরে ধর্মীয় দর্শন ও সাহিত্য চর্চা করে আসছে।
advertisement
4/6
কিন্তু কামদেব ভট্ট ছিলেন ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। ধর্মীয় দর্শন অধ্যয়ন করার পরেও তিনি তীর নিক্ষেপ, তরবারি ব্যবহার এবং কুস্তিতে দক্ষ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েকজন যুবককে একত্রিত করে শারীরিক অনুশীলন এবং অস্ত্র প্রশিক্ষণে দক্ষ করে তোলেন।
কিন্তু কামদেব ভট্ট ছিলেন ভিন্ন প্রকৃতির মানুষ। ধর্মীয় দর্শন অধ্যয়ন করার পরেও তিনি তীর নিক্ষেপ, তরবারি ব্যবহার এবং কুস্তিতে দক্ষ হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েকজন যুবককে একত্রিত করে শারীরিক অনুশীলন এবং অস্ত্র প্রশিক্ষণে দক্ষ করে তোলেন।
advertisement
5/6
কামদেব ভট্ট একদল যুবককে সংগঠিত করার কৃতিত্ব পেয়েছিলেন এবং সময়ের সাথে সাথে এই যুবকরা এই অঞ্চলে একটি যুদ্ধ বাহিনীতে পরিণত হয়। সেই সময় তাহির খান নামে এক ব্যক্তি এই অঞ্চল শাসন করতেন। তার নামানুসারে পরগনার নামকরণ করা হয় তাহিরপুর।
কামদেব ভট্ট একদল যুবককে সংগঠিত করার কৃতিত্ব পেয়েছিলেন এবং সময়ের সাথে সাথে এই যুবকরা এই অঞ্চলে একটি যুদ্ধ বাহিনীতে পরিণত হয়। সেই সময় তাহির খান নামে এক ব্যক্তি এই অঞ্চল শাসন করতেন। তার নামানুসারে পরগনার নামকরণ করা হয় তাহিরপুর।
advertisement
6/6
তাহির খানের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে কামদেব ভট্ট তার সংগঠিত বাহিনী নিয়ে তাকে আক্রমণ করেন এবং তাকে পরাজিত করে সমগ্র তাহিরপুর অঞ্চল দখল করেন। তিনি তৎকালীন দিল্লির শাসক সম্রাটের অনুমোদন লাভ করেন।
তাহির খানের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে কামদেব ভট্ট তার সংগঠিত বাহিনী নিয়ে তাকে আক্রমণ করেন এবং তাকে পরাজিত করে সমগ্র তাহিরপুর অঞ্চল দখল করেন। তিনি তৎকালীন দিল্লির শাসক সম্রাটের অনুমোদন লাভ করেন।
advertisement
advertisement
advertisement