দুবরাজপুর পৌরসভার অন্তর্গত আট নম্বর ওয়ার্ডের যে গৃহবধুর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে তিনি হলেন ৪৫ বছর বয়সী চায়না মণ্ডল গড়াই। বাড়িতে কারও না থাকার সুযোগে কেউ বা কারা বাড়িতে ঢুকে তার উপর আক্রমণ চালায়। ঘটনার পর তার স্বামী গৌতম গড়াই তাকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। এমন ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পরিবারের লোকজনেরা নিজেদের বাড়ির সামনেই থাকা রানীগঞ্জ-মোড়গ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে।
advertisement
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনায় দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে পথ অবরোধে নামেন এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি বিধায়ক অনুপ কুমার সাহাও। ঘন্টা দুয়েক অবরোধ চলার পর সেই অবরোধ তুলে নেন তারা। একইভাবে দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তির দাবি তুলেছেন দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডে। মূলত ওই গৃহবধূর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর ফিরে আসতেই সন্ধেয় নতুন করে শুরু হয় অবরোধ দেখিয়ে বিক্ষোভ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে এই ঘটনায় তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবারই তদন্তের জন্য নামানো হয় টিনাকে। টিনা আসলে ডগ স্কোয়াডের এক সদস্য। যাকে পূর্ব বর্ধমান থেকে আনা হয় দুবরাজপুরের গৃহবধূ খুনের ঘটনার তদন্তে। পুলিশ কুকুর দিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ার পর দেখা যায়, মৃত ওই গৃহবধূর বাড়ির আশেপাশে কুকুরটি ঘোরাফেরা করে এবং বাড়ির পিছনের দিকে যে ফাঁকা জায়গা রয়েছে সেখানে পৌঁছে যায়। এসব দেখে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান পরিচিত কেউ বা কারা এই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকলেও থাকতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এমন ঘটনা তা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলা সম্ভব নয়, আর সেই কাজই এখন চালাচ্ছে পুলিশ।
