স্থানীয় বাসিন্দা উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, “রাজনগর-বক্রেশ্বর-সিউড়ি রেললাইন হওয়ার কথা বহুদিন ধরেই শুনছি। যদি বাস্তবে হয়, তাহলে খুবই ভাল হবে। আমাদের এলাকার মানুষ সবাই চায় এই রেললাইন হোক। কিন্তু শুধু ভোটের আগে কথা উঠল, তারপর থেমে গেল, এমন যেন না হয়। বাস্তবায়নটাই আমরা চাই।” তিনি আরও জানান, এই রেললাইন চালু হলে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বক্রেশ্বর-রাজনগর অঞ্চল নতুন করে গুরুত্ব পাবে। বক্রেশ্বরের উষ্ণ প্রস্রবণ ও মন্দিরকে কেন্দ্র করে বহু পর্যটক আসেন। রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশাবাদী স্থানীয়রা।
advertisement
আরও পড়ুন: মালদহ ভ্রমণে গিয়ে মিস করবেন না! গৌড়ের এই প্রাচীন জাহাজ ঘাট না দেখলে আপনার সফর থাকবে অপূর্ণ
অন্য এক বাসিন্দা দেবীপ্রসাদ দাস বলেন, “রাজনগর ব্লক যোগাযোগ ব্যবস্থায় অনেকটাই পিছিয়ে। রেললাইন হলে ছেলেমেয়েরা পড়াশোনার জন্য বাইরে যেতে পারবে। পরিযায়ী শ্রমিকদেরও কাজে যেতে সুবিধা হবে।” তিনি আরও জানান, বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য বেঙ্গালুরু বা চেন্নাইয়ের মতো দূর শহরে যান। রেল যোগাযোগ সহজ হলে যাতায়াতের খরচ ও সময় দুই’ই কমবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের পণ্য আনা নেওয়াতেও সুবিধা হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের একটাই দাবি, উন্নয়ন যেন রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই রেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রাজনগর ও সংলগ্ন এলাকার অর্থনীতি, পর্যটন ও শিক্ষা-চিকিৎসা পরিষেবায় এক নতুন দিগন্ত খুলবে বলে মত অধিকাংশ মানুষের।





