স্থানীয় সূত্রের খবর, পানিহাটি পশ্চিমপল্লী এলাকায় মেঘনাথ শীল নামে এক ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বিহারের বাসিন্দা মুকেশ সাউয়ের। বুধবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় মেঘনাথ শীলের বাড়িতে গিয়ে তাঁর স্ত্রীকে গালিগালাজ করে রাকেশ। সেই সময় মেঘনাথ শীল ধারাল অস্ত্র দিয়ে মুকেশকে এলোপাথাড়ি কোপায় বলে অভিযোগ। বিহারের বাসিন্দা মুকেশকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে বলরাম হাসপাতালে ভর্তি করে। ঘটনায় কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয় গোটা এলাকায়। ঘটনাস্থলে খড়দহ থানার পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত মেঘনাথ শীলকে গ্রেফতার করে।
advertisement
সম্প্রতি আরেক খুনের ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ, রোজ রাতেই মদ্যপান করে ফিরত ছেলে! এই নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত! একদিন অশান্তির ফলই হল মর্মান্তিক। মদ্যপানের প্রতিবাদ করায় বাবাকে কুড়ুল দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করল খোদ ছেলে। এখানেই শেষ নয়! বাবাকে খুন করার পর মৃতদেহ জলের ট্যাঙ্কে রেখে ‘সুপুত্র’ গেল বিরিয়ানি খেতে। এর পর রাতে বাড়ি ফিরে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েও পড়ল! নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের অম্বিকাপুর এলাকার সুরগুজা জেলায়। অভিযুক্তর নাম প্রভাত কেরকেট্টা। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। জেরায় সে স্বীকার করে নেয়, ‘রাগের মাথায় বাবাকে খুন করে ফেলেছে।’ পুলিশ জানিয়েছে, অম্বিকাপুরের বাসিন্দা পরশ কেরকেট্টার সঙ্গে বছর পঁচিশের ছেলে প্রভাতের সম্পর্ক একেবারেই ভাল ছিল না। তাঁরা একসঙ্গে থাকতও না। প্রভাতের বাবা পরশ কেরকেট্টা বেহেরাপাড়ায় একাই একটি বাড়িতে থাকতেন। প্রভাত থাকত ভাড়া বাড়িতে। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ প্রভাত মদ্যপ অবস্থায় বাবার বাড়ি যায়। পুলিশ জানিয়েছে, ছেলের মদ্যপানের অভ্যাসে বিরক্ত ছিলেন বাবা। দু’জনের মধ্যে প্রবল বাকবিতণ্ডা হয়। শুরু হয় উত্তপ্ত বচসা। পুলিশের দাবি, অশান্তির সময় রাগে কুড়ুল দিয়ে বাবাকে এলোপাথাড়ি আঘাত করে প্রভাত। এর পর তাঁর মৃতদেহ জলের ট্যাঙ্কে ফেলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। সোজা যায় বিরিয়ানির দোকানে। পেটপুড়ে বিরিয়ানি খায়। তার পর বাড়ি ফিরে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েও পড়ে!
