টেপা পুতুল মূলত হাত দিয়ে মাটি চেপে বা ‘টেপে’ তৈরি করা ছোট ছোট পুতুল। যেখানে ফুটে ওঠে গ্রামীণ জীবনের সহজ সরল ছবি। কখনও দেখা যায় মা-বাবা, কখনও রান্নাঘরের দৃশ্য, আবার কখনও গৃহস্থালির নানা উপকরণ। সম্পূর্ণ হাতে গড়া এই পুতুলে নেই কোনও ছাঁচের ব্যবহার, ফলে প্রতিটি সৃষ্টি আলাদা ও স্বতন্ত্র। এই শিল্প শুধু বিনোদনের উপকরণ নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ মেদিনীপুরের বালি মাটিতে ফলছে সোনার ফসল! মালামাল চাষিরা, প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতাকে জয় করে আয়ের নয়া দিশা
হারিয়ে যেতে বসা এই শিল্পকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বাঁকুড়া ২ নম্বর ব্লকের নটরা গ্রামে। সেখানে শুরু হয়েছে “টেপা পুতুল” তৈরির একটি বিশেষ কর্মশালা। উদ্যোগ নিয়েছেন শিল্পী কুমারেশ দাস। উদ্যোগী দয়াময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই কর্মশালায় নতুন প্রজন্মকে শেখানো হচ্ছে কীভাবে মাটি নির্বাচন করতে হয়, কীভাবে হাতে পুতুল গড়তে হয় এবং কীভাবে তা শুকিয়ে পোড়াতে হয়। প্রবীণ শিল্পীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিচ্ছেন, যাতে এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও টিকে থাকে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয়দের মতে, এই ধরনের উদ্যোগই পারে হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্পকে নতুন জীবন দিতে। কর্মশালার মাধ্যমে শুধু শিল্প রক্ষা নয়, ভবিষ্যতে নতুন কর্মসংস্থানের পথও খুলে যেতে পারে। বাঁকুড়ার মাটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা “টেপা পুতুল” তাই আবারও নতুন করে ফিরে আসার আশায় বুক বাঁধছে।





