পর্যটন মানচিত্রে বাঁকুড়া জেলার অন্যতম আকর্ষণ এই পাহাড়। প্রতিবছর দোল উৎসব উপলক্ষে এখানে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান। বিশেষ করে ইকোপার্ক এলাকায় বসন্ত উদযাপনের জন্য আলাদা সাজসজ্জা করা হয়েছে। বসার জায়গা, দর্শনপথ ও আলোকসজ্জা নতুন করে ঠিকঠাক করা হয়েছে যাতে ভিড় সামলেও পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় থাকে।
আরও পড়ুন: প্রয়াত সাহিত্যিক শংকর! ‘জন অরণ্যে’ আজ বিষাদের ছায়া, বাংলার সাহিত্যের এক যুগের অবসান
advertisement
প্রকৃতিও যেন উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পাহাড়ের ঢালে ইতিমধ্যেই ফুটতে শুরু করেছে পলাশের কুঁড়ি, কোথাও আবার লালচে ফুলের আভা চোখে পড়ছে। বসন্তের মৃদু হাওয়া আর সবুজের মাঝখানে এই পলাশের আভা শুশুনিয়ার সৌন্দর্যকে আরও মোহনীয় করে তুলেছে। পরিবেশপ্রেমীদের মতে, প্রাকৃতিক এই রূপই এখানে দোলের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।
প্রশাসনের আশা, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর দর্শনার্থীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় বাড়বে। নিরাপত্তা, পার্কিং ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে ইতিমধ্যেই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে উৎসবের আগে শুশুনিয়া পাহাড় এখন রঙিন, প্রাণবন্ত এবং পর্যটকদের স্বাগত জানাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।