এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার জেলাশাসক, জেলার মুখ্য পুলিশ আধিকারিক-সহ প্রশাসনের একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক। তাঁরা জাতীয় পতাকায় স্যালুট জানিয়ে প্রজাতন্ত্রের আদর্শ ও সংবিধানের মূল্যবোধ রক্ষার বার্তা দেন। বিশেষ করে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রশাসনিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ইঙ্গিত বহন করে। মঞ্চ থেকে দেওয়া বক্তব্যে নারী ক্ষমতায়ন, নিরাপত্তা ও সমানাধিকারের প্রসঙ্গ বিশেষ গুরুত্ব পায়।
advertisement
আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্র দিবসে ছবির মতো সাজল কাটোয়া! রইল বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ থেকে উদ্যাপনের একগুচ্ছ ছবি
কুচকাওয়াজে বিভিন্ন বাহিনীর পাশাপাশি মহিলা দলগুলির সমন্বিত ও ছন্দময় পদচারণা দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রশিক্ষিত কদম, দৃঢ় ভঙ্গি এবং আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে নারীদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি। মাঠের চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা দর্শকরা করতালি ও উচ্ছ্বাসে সেই শক্তির প্রদর্শনকে স্বাগত জানান। অনেকের চোখেমুখেই ধরা পড়ে গর্বের ঝিলিক।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সমগ্র অনুষ্ঠানের আবহে বাঁকুড়া জেলার মানুষের মনে তৈরি হয় গর্ব ও ঐক্যের অনুভূতি। প্রজাতন্ত্র দিবসের এই উদযাপন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং সমাজে নারী শক্তির গুরুত্ব ও দেশের গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিফলন হিসেবেই ধরা দেয়। বুটের আওয়াজ, মাঠের ধুলো আর দৃঢ় কণ্ঠের শপথ—সব মিলিয়ে বাঁকুড়া স্টেডিয়াম সেদিন সাক্ষী রইল শক্তি, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমে ভরপুর এক স্মরণীয় প্রজাতন্ত্র দিবসের।





