এই অপ্রত্যাশিত অনুপস্থিতিতে মনখারাপ কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে পড়ুয়াদেরও। কলেজ চত্বরে প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় পুকুরপাড়ে ভিড় জমত শুধু পাখিদের এক ঝলক দেখার জন্য। অনেক ছাত্রছাত্রী তাদের মোবাইল ক্যামেরায় সেই দৃশ্য বন্দি করত, কেউ কেউ প্রজেক্ট ও পরিবেশ বিষয়ক গবেষণার তথ্য সংগ্রহ করত। এবছর সেই চিত্র বদলে গেছে। ফাঁকা পুকুর আর নীরব পরিবেশ যেন সকলকে মনে করিয়ে দিচ্ছে, প্রকৃতির ভারসাম্যে কোথাও যেন বড়সড় পরিবর্তন ঘটছে।
advertisement
এ বিষয়ে কলেজের চেয়ারম্যান শশাঙ্ক দত্ত বলেন, “সকলের মন খুব খারাপ। প্রতিবছর শীতকালে পুকুরটা ভরে থাকে হুইসেল ডাকে, কিন্তু এইবার তারা কেন এল না, তা আমরা বুঝতে পারছি না।” তিনি আরও জানান, জল ও পরিবেশের মান আগের মতোই রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে জলবায়ু ও ঋতুচক্রের হঠাৎ পরিবর্তনই সম্ভবত এই ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিযায়ী পাখিদের যাত্রাপথ নির্ভর করে তাপমাত্রা, খাদ্যের প্রাপ্যতা ও নিরাপদ আশ্রয়ের ওপর। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্বজুড়ে ঋতু পরিবর্তনের অস্বাভাবিকতা, তাপমাত্রার ওঠানামা ও আবহাওয়ার চরমতা এই পাখিদের অভ্যাসে প্রভাব ফেলছে। বাঁকুড়ার পুয়াবাগানের এই নীরবতা তাই শুধু একটি কলেজ ক্যাম্পাসের নয়, বরং প্রকৃতির এক বড় সতর্কবার্তা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।





