ভারী বালির স্তরের ভেতর থেকে লোহার তৈরি গোলাকার বস্তু বেরোতেই চালক কাজ বন্ধ করে দেন এবং দ্রুত খবর দেন স্থানীয়দের। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সোনামুখী থানার পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের বম্ব স্কোয়াড। সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে সঙ্গে সঙ্গেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। শেলগুলিকে আপাতত বালি দিয়ে ঢেকে নিরাপদ অবস্থায় রাখা হয়েছে, যাতে কোনওভাবে নড়াচড়া না হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জায়গাটি লাল ফিতে দিয়ে ঘেরা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেনাবাহিনীকেও বিষয়টি জানান হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
advertisement
প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, উদ্ধার হওয়া এই তিনটি মর্টার শেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমকালীন হতে পারে। লোহার পুরু খোলের ভেতরে এখনও বিস্ফোরক থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন মাটির নিচে থাকার ফলে বাইরের অংশে জং ধরলেও ভেতরের অংশ সক্রিয় থাকতে পারে। তাই অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উল্লেখযোগ্যভাবে, এর আগেও বাঁকুড়া জেলার দ্বারকেশ্বর ও দামোদর নদে বালি উত্তোলনের সময় একাধিকবার মর্টার শেল উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। তবে একসঙ্গে তিনটি শেল উদ্ধার এই এলাকায় এই প্রথম। আপাতত নদের ওই অংশে বালি তোলার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং পুলিশের কড়া নজরদারি চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এলাকাবাসীকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।






