advertisement

Darjeeling Snowfall: পাহাড়ে মেঘ, বৃষ্টি, তুষারপাতের 'খেলা'! ৪° সেলসিয়াসে কাঁপছে সান্দাকফু! শৈত্যপ্রবাহের দাপট সিঙ্গালিলায়, কতদিন চলবে এমন পরিস্থিতি?

Last Updated:
Darjeeling Snowfall: প্রবল তুষারপাত চলছে সান্দাকফুতে। সাদা বরফে ঢেকে যাচ্ছে পাহাড়ি পথ, গাছপালা ও বাড়িঘর। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শীতের দাপট। রাতের দিকে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে থাকার আশঙ্কা।
1/5
*দার্জিলিং, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: এই মুহূর্তে প্রবল তুষারপাত চলছে সান্দাকফুতে। একের পর এক বরফকণা ঝরে পড়ছে আকাশ থেকে, আর ধীরে ধীরে সাদা চাদরে ঢেকে যাচ্ছে পাহাড়ি পথ, গাছপালা ও বাড়িঘর। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শীতের দাপট স্পষ্ট। তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ৪° সেলসিয়াসে, রাতের দিকে তা হিমাঙ্কের নিচে থাকার আশঙ্কা।
*দার্জিলিং, ঋত্বিক ভট্টাচার্য : এই মুহূর্তে প্রবল তুষারপাত চলছে সান্দাকফুতে। একের পর এক বরফকণা ঝরে পড়ছে আকাশ থেকে, আর ধীরে ধীরে সাদা চাদরে ঢেকে যাচ্ছে পাহাড়ি পথ, গাছপালা ও বাড়িঘর। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান-এর বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শীতের দাপট স্পষ্ট। তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ৪° সেলসিয়াসে, রাতের দিকে তা হিমাঙ্কের নিচে থাকার আশঙ্কা।
advertisement
2/5
*শুধু সান্দাকফুই নয়, থাকুম ভ্যালি ও ফালুট এলাকাতেও শুরু হয়েছে তুষারপাত। পাহাড়ি রাস্তায় জমছে বরফের আস্তরণ। মাঝেমধ্যেই মেঘে ঢেকে যাচ্ছে চারদিক, ফলে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্যও বেশিরভাগ সময় আড়ালেই থাকছে। শৈত্যপ্রবাহ মন্থর গতিতে বইলেও ঠান্ডার তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে।
*শুধু সান্দাকফুই নয়, থাকুম ভ্যালি ও ফালুট এলাকাতেও শুরু হয়েছে তুষারপাত। পাহাড়ি রাস্তায় জমছে বরফের আস্তরণ। মাঝেমধ্যেই মেঘে ঢেকে যাচ্ছে চারদিক, ফলে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্যও বেশিরভাগ সময় আড়ালেই থাকছে। শৈত্যপ্রবাহ মন্থর গতিতে বইলেও ঠান্ডার তীব্রতা ক্রমেই বাড়ছে।
advertisement
3/5
*মানেভঞ্জন থেকে টংলু, তুমলিং হয়ে সান্দাকফু ও থাকুম ভ্যালি পর্যন্ত আপাতত গাড়ি চলাচল সম্ভব হলেও, তুষারপাত বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। মানেভঞ্জন থেকে সান্দাকফু ৩১ কিমি এবং থাকুম ভ্যালি প্রায় ৩৮ কিমি। প্রশাসন ও স্থানীয় গাইডদের তরফে পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
*মানেভঞ্জন থেকে টংলু, তুমলিং হয়ে সান্দাকফু ও থাকুম ভ্যালি পর্যন্ত আপাতত গাড়ি চলাচল সম্ভব হলেও, তুষারপাত বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। মানেভঞ্জন থেকে সান্দাকফু ৩১ কিমি এবং থাকুম ভ্যালি প্রায় ৩৮ কিমি। প্রশাসন ও স্থানীয় গাইডদের তরফে পর্যটকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
advertisement
4/5
*পর্যটন মহলের মতে, এখন যারা ঝটিকা সফরে আসছেন, তাঁদের অনেকেই দূরের দৃশ্য না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান প্রকৃত অর্থে উপভোগ করতে গেলে অন্তত পাঁচ থেকে ছ'দিনের পরিকল্পনা প্রয়োজন। স্বল্প সময়ে এলে আবহাওয়ার অনিশ্চয়তাই বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
*পর্যটন মহলের মতে, এখন যারা ঝটিকা সফরে আসছেন, তাঁদের অনেকেই দূরের দৃশ্য না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যান প্রকৃত অর্থে উপভোগ করতে গেলে অন্তত পাঁচ থেকে ছ'দিনের পরিকল্পনা প্রয়োজন। স্বল্প সময়ে এলে আবহাওয়ার অনিশ্চয়তাই বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
advertisement
5/5
*তবে তুষারে মোড়া সান্দাকফুর সৌন্দর্য যে অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যেই অতীতে সবচেয়ে বেশি তুষারপাতের নজির থাকলেও, ফেব্রুয়ারির এই শেষ ভাগেই শীতের জাদু উপভোগ করছেন পর্বতপ্রেমীরা। পাহাড় এখন সাদা নীরবতায় মোড়া—প্রকৃতির এই রূপ দেখতে ভিড় বাড়ছে, তবে সফরের আগে আবহাওয়ার আপডেট জানা অত্যন্ত জরুরি।
*তবে তুষারে মোড়া সান্দাকফুর সৌন্দর্য যে অন্য মাত্রা এনে দিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যেই অতীতে সবচেয়ে বেশি তুষারপাতের নজির থাকলেও, ফেব্রুয়ারির এই শেষ ভাগেই শীতের জাদু উপভোগ করছেন পর্বতপ্রেমীরা। পাহাড় এখন সাদা নীরবতায় মোড়া—প্রকৃতির এই রূপ দেখতে ভিড় বাড়ছে, তবে সফরের আগে আবহাওয়ার আপডেট জানা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
advertisement
advertisement