এই কর্মশালায় পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বোতলকেই ব্যবহার করা হয় মূল উপকরণ হিসেবে। বোতলের উপর নানা ধরনের নকশা, রঙিন পেইন্টিং ও সৃজনশীল শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলে সেগুলিকে আকর্ষণীয় হোম ডেকর আইটেমে রূপান্তর করা হয়। ফুলদানি, শোপিস কিংবা ঘর সাজানোর সামগ্রী হিসেবে এই বোতলগুলির নতুন ব্যবহার শিশুদের মধ্যে নতুন চিন্তাধারার জন্ম দেয়। একই সঙ্গে বোঝান হয়, অপ্রয়োজনীয় বলে ফেলে দেওয়া জিনিসও সঠিক ভাবনায় মূল্যবান হয়ে উঠতে পারে। ওয়ার্কশপে ক্লাস ৬ থেকে ক্লাস ১০ পর্যন্ত মোট ৪০ জন ছাত্রছাত্রী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
advertisement
আরও পড়ুন: ছেলের নিথর দেহ দেখেই থমকে গেল মায়ের পৃথিবী, হাসপাতাল থেকে ফিরেই চরম সিদ্ধান্ত! কাঁদছে গোটা পাড়া
কেউ প্রকৃতির ছবি এঁকেছে, কেউ বিমূর্ত শিল্পকর্ম, আবার কেউ রঙের খেলায় ফুটিয়ে তুলেছে নিজের কল্পনাজগৎ। দলগতভাবে কাজ করার ফলে পড়ুয়াদের মধ্যে সহযোগিতা, আত্মবিশ্বাস ও সৃষ্টিশীল মনোভাব আরও দৃঢ় হয়েছে বলে জানান আয়োজকেরা। আয়োজক দিব্যেন্দু কর্মকারের মতে, পড়াশোনার পাশাপাশি হাতে-কলমে এমন সৃজনশীল কাজ শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছোটবেলা থেকেই তাদের মনে গেঁথে দেওয়াই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সব মিলিয়ে, ছাতনার এই কর্মশালা ছিল শেখা, আনন্দ ও পরিবেশ সচেতনতার এক অনন্য মিলনমেলা। অন্যদিকে এই কর্মসূচির মধ্যে আয়ের দিশা লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, এই ধরণের সৃজনশীল কাজ অনলাইন মাধ্যম বা অন্য জায়গায় বিক্রি করে মোটা টাকা আয় সম্ভব। শখের বসে করা এই ধরণের জিনিস শুধুমাত্র ঘর সাজাবার জিনিস নয়। ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল দিয়ে এবার জিরো ইনভেস্টমেন্টে’এ থাকছে আয়ের উপায়। আর সেটারই যেন একটা ছোট ডেমো দেখল বাঁকুড়ার মানুষ।





