আগুন ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় সিভিক ভলেন্টিয়ার ও খাতড়া মহকুমা সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। জল ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি, বরং আগুন আরও ভয়াবহ আকার নেয়। পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় খাতড়া দমকল কেন্দ্রে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দমকল কেন্দ্রের একটি ইঞ্জিন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় এবং দীর্ঘক্ষণ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
advertisement
আরও পড়ুনঃ জেলা পুলিশে ‘ডিজিটাল বিপ্লব’! সব থানায় চালু হল ই-মালখানা, এক স্ক্যানেই হাতের মুঠোয় সব তথ্য
দমকল কর্মীদের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় এলাকা। এই ঘটনায় বড় কোনও হতাহতের খবর না মিললেও দোকানের এক মহিলা কর্মী সামান্যভাবে আহত হন। তাঁকে তড়িঘড়ি খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে রান্নার বেশ কিছু সরঞ্জাম পুড়ে গেছে এবং দোকানের বিদ্যুতের কয়েকটি তারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সৌভাগ্যবশত, আগুন দোকানের বাইরের অংশে ছড়িয়ে পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার পর দমকল কর্তৃপক্ষ পর্যটন এলাকার সমস্ত লজ, হোটেল ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করেছে। জানানো হয়েছে, অস্থায়ী হলেও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অগ্নি নির্বাপণের ব্যবস্থা রাখা অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি, দমকল কেন্দ্রের প্রয়োজনীয় অনুমতি গ্রহণ এবং নিয়মিত অগ্নি-নিরাপত্তা পরিকাঠামো পরীক্ষা করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তরফেও নজরদারি বাড়ানোর দাবি উঠেছে।






