বন দফতরের তত্ত্বাবধানে এবং একটি পক্ষী গণনাকারী সংস্থার উদ্যোগে সম্প্রতি এখানে পাখি গণনা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে দেখা গিয়েছে, প্রায় ২০০০ পরিযায়ী পাখি বর্তমানে কংসাবতি জলাধারের বিস্তীর্ণ জলভাগে অবস্থান করছে। বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে এই গণনা করা হয়, যাতে প্রজাতিভেদে সংখ্যা নির্ণয় ও আচরণ পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। এই তথ্য ভবিষ্যতে পাখি সংরক্ষণ ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদেরা।
advertisement
আরও পড়ুন: বন্যার জলে প্রাণ বাঁচাবে জারিকেন-কলসি…! বাঁকুড়ায় অভিনব উদ্ধারকৌশল দেখাল সিভিল ডিফেন্স
তবে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, পাখির সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে জলাধারের জলে বেড়ে চলা প্লাস্টিক বর্জ্য ও পর্যটকদের ব্যবহৃত বোটের অতিরিক্ত শব্দদূষণ। এই শব্দ ও দূষণ পরিযায়ী পাখিদের স্বাভাবিক আবাস ও খাদ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে বলে মত পরিবেশকর্মীদের। এতে পাখিরা নিরাপত্তাহীন বোধ করে অন্যত্র সরে যেতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই পরিস্থিতিতে বন দফতর ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নজরদারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ, পর্যটন ব্যবস্থার শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বোট চলাচলে নিয়ম আনার পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। প্রকৃতির এই অনন্য সম্পদকে রক্ষা করতে হলে স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও প্রশাসনের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কংসাবতি জলাধারকে ভবিষ্যতেও পরিযায়ী পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে টিকিয়ে রাখতে।





