হনুমানজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এক মৌলিক উদ্যোগ বাঁকুড়ার এক গৃহবধূর। হনুমানজির প্রতি ভালবাসা এবং শ্রদ্ধা ফুটে উঠল শিল্পের মাধ্যমে। গরমের ফল তরমুজ দিয়ে তৈরি হয়েছে হনুমানজির মূর্তি। সময় লেগেছে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা! পেশায় মেকআপ আর্টিস্ট স্কুল ডাঙ্গার বাসিন্দা চৈতালি বিশ্বাস প্রতিবছর রামনবমী এবং হনুমান জয়ন্তী উপলক্ষ্যে কিছু না কিছু করেন। গত বছর এক ব্যক্তিকে হনুমানজির আদলে সাজিয়েছিলেন। এই বছর গোটা একটি তরমুজ দিয়ে তৈরি করলেন হনুমানজির মূর্তি।
advertisement
১০ লাখ টাকা লোন নিয়ে, দুরু দুরু বুকে শুরু করেছিলেন একটি ছোট্ট ব্যবসা। লোনের টাকা আদৌ শোধ করতে পারবেন কিনা তাই নিয়েছিল শঙ্কা। একটু একটু করে পথ চলা। লোনের টাকা তো শোধ করেও এখন প্রতি মাসে টার্নওভার প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা! বাঁকুড়ার এই গৃহবধূর অধীনে কাজ করেন একাধিক মহিলা। চৈতালি জানান বজরংবলী আশীর্বাদেই তিনি এভাবে এগিয়ে যেতে পেরেছেন।
পেশায় মেকআপ আর্টিস্ট কিন্তু নেশায় সৃজনশীল চৈতালি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে, ঘরোয়া জিনিস ব্যবহার করে তৈরি করে আসছেন বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি। যেমন আলু দিয়ে মা তারা, বেগুন দিয়েছি শিব, লাউ দিয়ে মা দুর্গা,নারকেল দিয়ে মা দুর্গা এবং জীবন্ত হনুমানজি। চৈতালি এই কর্মকাণ্ডে খুশি তার পরিবারের সদস্যরা।
নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়





