পান্ডুয়ার বেলুন ধামাসিন গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুঁইপাড়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ রায়( ৩৮)। মুখ ও বধির ওই ব্যক্তি।বাংলার বাড়ি আবাস যোজনার ঘরের টাকা ঢুকেছে তার ব্যাঙ্ক একাউন্টে।পাকা বাড়ি হবে বলে পুরনো মাটির বাড়ি ভেঙে সরানোর কাজ করছিলেন আজ। প্রতিবেশী স্বপন বাউল দাসকে ঘর ভেঙে সরানোর কাজে সাহায্যের জন্য নিয়েছিলেন।
আরও পড়ুনঃ প্রশাসনিক ব্যর্থতাতেই আরজি কাণ্ড! এবিভিপি-র সভায় সুকান্তের মুখে ‘সামাজিক ব্যর্থতা’ও
advertisement
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অপর এক প্রতিবেশী রণজিৎ পোড়েল বলেন, কৃষ্ণ রায়ের মাটির ঘরের দেওয়াল ভাঙছিল। হঠাৎ বিকট আওয়াজ শুনে ছুটে গিয়ে দেখি দেওয়াল চাপা পড়ে গেছে কৃষ্ণ রায়।পাশেই ছিটকে পড়েছে স্বপন বাউলদাস। প্রতিবেশিরা কৃষ্ণ কে কোনক্রমে ধ্বংসস্তূপের তলা থেকে বার করে। উদ্ধার করা হয় স্বপনকেও। তড়িঘড়ি তাদের পান্ডুয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক কৃষ্ণ রায় কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্বপনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় পান্ডুয়া থেকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
বেলুন ধামাসিন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান যমুনা হেমব্রম জানান,কৃষ্ণ রায়ের নামে বাংলার বাড়ির ঘর বরাদ্দ হয়েছিল।কাঁচা মাটির বাড়ি ভেঙে সেখানেই পাকা বাড়ি বানাতে চাইছিলেন।আজ সেই মাটির বাড়ির দেওয়াল চাপা পরে তার মৃত্যু হয়।খুবই দুঃখজনক ঘটনা।তার ঘরটা যাতে পরিবার পায় সেটা দেখা হবে।
