TRENDING:

Anandapur Fire Incident: শ্রীকৃষ্ণ, দেবাদিত্য, শশাঙ্ক, সন্দীপ...আনন্দপুরের আগুনের পরে খোঁজ নেই কারও! নিখোঁজ তমলুকের ১৩ যুবক

Last Updated:

সোমবার দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সোনারপুর উত্তর বিধানসভা এবং নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত ওই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পৌঁছেছিলেন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমও।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
আনন্দপুর: সোমবার ভোররাত ৩টে নাগাদ আগুন লাগে৷ আর রাত গড়িয়ে গেলেও পুরোপুরি নিভল না আনন্দপুরে জোড়া গোডাউনের আগুন৷ এখনও রয়েছে পকেট ফায়ার৷ সোমবার রাত পর্যন্ত ৩টি দগ্ধ কঙ্কাল এবং ৭টি দগ্ধ দেহাংশ পাওয়া গিয়েছে৷ এখনও নিখোঁজ ২৫ জন৷ আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের নিখোঁজের তালিকায় যেমন নাম বাড়ছে, তেমন উদ্বেগ বাড়ছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক, পাঁশকুড়া, ময়না, নন্দকুমার সহ বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের। পেটের দায়ে ওই মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থায় কাজ করতে এসেছিলেন৷
News18
News18
advertisement

আরও পড়ুন: চেনার উপায় নেই…মিলল আগুনে ঝলসানো ৮ দেহ, মৃত্যপুরী আনন্দপুর! নিখোঁজ বেড়ে ২৫

আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডে নিখোঁজ তমলুকের ১৩ যুবক। রাতেই নিখোঁজদের বাড়ি বাড়ি ছুটলেন পুর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা।নিখোঁজদের কেউ করেন কাঠের কাজ, কেউ বা ফুলের, কেউ বা মেকানিক, কেউ কেউ বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করেন। কোল্ড ড্রিংকস কারখানায় কাজ করতেন অনেকেই। পেটের টানে আনন্দপুরে ঘরভাড়া নিয়ে থাকতেন তাঁরা। সকাল থেকে ফোনে পাচ্ছে না পরিবারের লোকজন।

advertisement

ইতিমধ্যেই পরিবারের আত্মীয় পরিজনেরা ভেঙে পড়ছেন। রাতেই নিখোঁজদের বাড়িতে যান প্রশাসনিক কর্তারা। তমলুক থানার অনন্তপুর এবং নীলকুণ্ঠ্যায় নিখোঁজদের বাড়িতে যান তমলুকের এসডিও , বিডিও, তমলুক থানা আইসি সহ অনেকেই৷

নিখোঁজের তালিকা:— পাঁশকুড়া– শ্রীকৃষ্ণ মাইতি, বাপন মাঝি, সমরেশ ফাদিকার, তপন দোলাই, ময়না– বুদ্ধদেব জানা, সৌমিত্র মন্ডল, তমলুক— দেবাদিত্য দিন্দা, বিমল মাইতি, গোবিন্দ মন্ডল, রামপদ মন্ডল, ক্ষুদিরাম দিন্দা, শশাঙ্ক জানা, নন্দকুমার– সন্দীপ মাইতি

advertisement

আরও পড়ুন: বাকিরা কোথায়?…এখনও খোঁজ নেই ২০ জনের! আনন্দপুরে হাহাকার, জতুগৃহে ঝলসে মৃত ৩

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পড়াশুনো করে কবে চাকরি পাব সেই হাপিত্যেশ করে বসে না থেকে ‘করে’ দেখাল দুই বোন
আরও দেখুন

সোমবার দুপুর নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। সোনারপুর উত্তর বিধানসভা এবং নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত ওই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে পৌঁছেছিলেন বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমও। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু জানান, কী ভাবে এমনটা হল, তার তদন্ত চলছে। তাঁর কথায়, ‘‘অনেক বড় জায়গা জুড়ে দু’খানা গোডাউন ছিল। আমরা সকাল (সোমবার) থেকে এটা ‘ফলো’ করছি। ফায়ারের রিপোর্ট হয়, কিন্তু মানুষেরও কিছু অসতর্কতা থাকে।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘এতবড় শহরের মধ্যে অনেকে অনেক কিছু ঘটনা ঘটায়। কিন্তু ওখানে এত লোক থাকবে কেন রাত্রিবেলায়? একটি গোডাউনের মধ্যে এত লোক থাকবে কেন, এগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’ পাল্টা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘দমকল মন্ত্রী এখন কোথায় দম দিচ্ছেন, উনিই বলতে পারবেন। প্রত্যেক মাসেই বলি, দু’মাস অপেক্ষা করুন। হয় কোথাও বোমা ফাটবে, নয় কোথাও অবৈধ বাজি কারখানায় আগুন লাগবে, নইলে কোথাও কোনও বাজারে আগুন লেগে যাবে, জতুগৃহ তৈরি করে রাখা হয়েছে তো। পশ্চিমঙ্গে তো সাময়িক বিরতিতেই এই ঘটনা ঘটছে।”

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Anandapur Fire Incident: শ্রীকৃষ্ণ, দেবাদিত্য, শশাঙ্ক, সন্দীপ...আনন্দপুরের আগুনের পরে খোঁজ নেই কারও! নিখোঁজ তমলুকের ১৩ যুবক
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল