আলিপুরদুয়ার সদর বা কালচিনি থেকে সহজে গাড়ি নিয়ে বক্সার সান্তালাবাড়িতে যাওয়া যায়। সেখান থেকে প্রায় পাঁচ কিমি পথ হেঁটে যেতে হয় চুনাভাটি। এই গ্রামের বাসিন্দারা চেয়েছেন, চুনাভাটি থেকে ডোলেচেন পর্যন্ত গাড়ি চলাচল করুক। কারণ ডোলোচেন এলাকায় বাজার রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ বিধানসভা ভোটের আগে সরগরম বীরভূম! জেলা জুড়ে মোতায়েন বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী, আজ থেকেই শুরু রুট মার্চ
advertisement
বক্সা পাহাড়ের অন্যান্য স্থান পর্যটনে নজর কাড়লেও চুনাভাটি পিছিয়ে রয়েছে। এই এলাকার ‘ভাগ্য’ নিজেরা লিখতে চান বাসিন্দারা। তাঁদের লক্ষ্য, চুনাভাটিকেও পর্যটকদের নজরে এনে উন্নত করা। সেই কারণে এবার এই গ্রামের বাসিন্দারাই গাড়ি চলাচলের জন্য রাস্তা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন। হাঁটা পথের রাস্তাকে তাঁরা নিজেরাই চওড়া করছেন। উদ্দেশ্য, গাড়ি চলাচলের জন্যে উপযুক্ত রাস্তা বানানো।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
গ্রামের সবাই এই কাজে হাত লাগাচ্ছেন, শ্রম দিচ্ছেন স্বেচ্ছায়। রাস্তার কাজ শেষ হতে না হতেই আবার তাঁরা টাকা জমিয়ে একটি পুরনো গাড়ি কিনেছেন। গাড়িটি কিনতে প্রায় ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। সেটিকেই কাঁধে করে তাঁরা গ্রামে নিয়ে যান। গাড়ির ভার কমাতে ইঞ্জিন খুলে কয়েকজন কাঁধে নেন ও গাড়ির বাকি যন্ত্রাংশ অন্যরা কাঁধে তুলে নেন।গ্রামের প্রথম গাড়ি তাঁদের কাছে আবেগের। পর্যটক গ্রামে এলে গাড়িতে চাপিয়ে চুনাভাটির সৌন্দর্য দেখাতে পারবেন তাঁরা।





