advertisement

India Post My Stamp Scheme: এবার ডাকটিকিটে জ্বলজ্বল করবে আপনার-আপনার প্রিয়জনের ছবি! ইন্ডিয়া পোস্টের 'মাই স্ট্যাম্প' প্রকল্পে চমক, খরচ নামমাত্র

Last Updated:
Jalpaiguri India Post My Stamp Scheme: ডাকটিকিটে এবার নিজের ছবি! ইন্ডিয়া পোস্টের 'মাই স্ট্যাম্প' পরিষেবায় নামমাত্র টাকার বিনিময়ে আপনি পেতে পারেন নিজের ছবির ডাকটিকিট। ব্যক্তিগত উপহার বা বিশেষ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে এই উদ্যোগ এখন তুঙ্গে।
1/5
এবার স্ট্যাম্পে থাকবে নিজের কিংবা প্রিয় মানুষের ছবি! হ্যাঁ এক্কেবারেই ঠিক দেখছেন । মাত্র ৩০০ টাকায় স্মৃতি বন্দি থাকবে ডাকটিকিটে!
এবার স্ট্যাম্পে থাকবে নিজের কিংবা প্রিয় মানুষের ছবি! হ্যাঁ এক্কেবারেই ঠিক দেখছেন । মাত্র ৩০০ টাকায় স্মৃতি বন্দি থাকবে ডাকটিকিটে!
advertisement
2/5
জলপাইগুড়িতে জনপ্রিয় ‘আমার স্ট্যাম্প’। নিজের কিংবা প্রিয়জনের ছবি দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিগত ডাকটিকিট—তাও মাত্র ৩০০ টাকায়! India Post-এর অভিনব উদ্যোগ। ‘আমার স্ট্যাম্প’ পরিষেবা ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি জেলায় মানুষের আগ্রহ কেড়েছে।
জলপাইগুড়িতে জনপ্রিয় ‘আমার স্ট্যাম্প’। নিজের কিংবা প্রিয়জনের ছবি দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যক্তিগত ডাকটিকিট—তাও মাত্র ৩০০ টাকায়! India Post-এর অভিনব উদ্যোগ। ‘আমার স্ট্যাম্প’ পরিষেবা ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়ি জেলায় মানুষের আগ্রহ কেড়েছে।
advertisement
3/5
জেলার একাধিক ডাক বিভাগ কেন্দ্রের পাশাপাশি Jalpaiguri Head Post Office-এ এই পরিষেবার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। ডাক বিভাগের এই বিশেষ ব্যবস্থায় যে কেউ নিজের ছবি, পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা কোনও বিশেষ অনুষ্ঠানের স্মৃতি নিয়ে ডাকটিকিট তৈরি করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একটি ছবি এবং মাত্র ৩০০ টাকা জমা দিলেই ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে এই ব্যক্তিগত ডাকটিকিট। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, চোখের সামনেই তৈরি হচ্ছে স্মৃতির দলিল।
জেলার একাধিক ডাক বিভাগ কেন্দ্রের পাশাপাশি Jalpaiguri Head Post Office-এ এই পরিষেবার চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। ডাক বিভাগের এই বিশেষ ব্যবস্থায় যে কেউ নিজের ছবি, পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা কোনও বিশেষ অনুষ্ঠানের স্মৃতি নিয়ে ডাকটিকিট তৈরি করতে পারেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির একটি ছবি এবং মাত্র ৩০০ টাকা জমা দিলেই ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে এই ব্যক্তিগত ডাকটিকিট। ফলে দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, চোখের সামনেই তৈরি হচ্ছে স্মৃতির দলিল।
advertisement
4/5
জলপাইগুড়ির প্রধান পোস্ট অফিসের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সঞ্জয় ভট্টাচার্যী জানান, “আগে সাধারণত বিশিষ্ট ব্যক্তি কিংবা ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হত। কিন্তু সাধারণ মানুষের আবেগ ও স্মৃতিকে গুরুত্ব দিতেই ‘আমার স্ট্যাম্প’ পরিষেবা চালু করা হয়েছে।”
জলপাইগুড়ির প্রধান পোস্ট অফিসের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ সঞ্জয় ভট্টাচার্যী জানান, “আগে সাধারণত বিশিষ্ট ব্যক্তি কিংবা ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হত। কিন্তু সাধারণ মানুষের আবেগ ও স্মৃতিকে গুরুত্ব দিতেই ‘আমার স্ট্যাম্প’ পরিষেবা চালু করা হয়েছে।”
advertisement
5/5
ডাক বিভাগের দাবি, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, বিবাহ, অবসর গ্রহণ কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে এই ব্যক্তিগত ডাকটিকিট এখন অনেকের প্রথম পছন্দ। শুধুই স্মারক নয়, এই স্ট্যাম্প ব্যবহার করেও চিঠি পাঠানো যায়—ফলে আবেগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ব্যবহারিক মূল্যও। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, ডিজিটাল যুগে যখন চিঠির চল কমছে, তখন এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগ আবারও ডাক ব্যবস্থার সঙ্গে মানুষের আবেগকে জুড়ে দিচ্ছে। এক কথায়, অল্প খরচে নিজের গল্পকে ডাকটিকিটে ধরে রাখার সুযোগ—জলপাইগুড়িতে ‘আমার স্ট্যাম্প’ এখন সত্যিই আলাদা আকর্ষণ।
ডাক বিভাগের দাবি, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, বিবাহ, অবসর গ্রহণ কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে উপহার হিসেবে এই ব্যক্তিগত ডাকটিকিট এখন অনেকের প্রথম পছন্দ। শুধুই স্মারক নয়, এই স্ট্যাম্প ব্যবহার করেও চিঠি পাঠানো যায়—ফলে আবেগের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ব্যবহারিক মূল্যও। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, ডিজিটাল যুগে যখন চিঠির চল কমছে, তখন এমন ব্যক্তিগত উদ্যোগ আবারও ডাক ব্যবস্থার সঙ্গে মানুষের আবেগকে জুড়ে দিচ্ছে। এক কথায়, অল্প খরচে নিজের গল্পকে ডাকটিকিটে ধরে রাখার সুযোগ—জলপাইগুড়িতে ‘আমার স্ট্যাম্প’ এখন সত্যিই আলাদা আকর্ষণ।
advertisement
advertisement
advertisement