বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণের কোনও স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় সেখানেই সেই আবর্জনা জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ ও বিষাক্ত ধোঁয়া। এছাড়া ফেলে দেওয়া আবর্জনার স্তূপে থাকা উচ্ছিষ্ট খেতে ভিড় জমাচ্ছে গরু, কুকুরের মতো গবাদি পশুরাও। এর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ দূষণ বাড়ছে, তেমনই সাধারণ মানুষের পাশাপাশি, গবাদি পশুর স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে। বাসিন্দাদের কথায়, এই সমস্যা নতুন নয়। দীর্ঘ বেশ কয়েকবছর ধরে এই নদীর ধারে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
advertisement
তবে বর্তমানে সেখানে জয়গাঁ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি, এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের আবর্জনাও ফেলছে জয়গাঁ উন্নয়ন পর্ষদের অধীনে আবর্জনা সংগ্রহের কাজ করা সংস্থারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জয়গাঁর দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত ও দলসিংপাড়া এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প গড়ে উঠেছিল। কিন্তু সেটি চালু হয়নি। জয়গাঁ দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে এখনও কোনও ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি না হলেও, গত প্রায় পাঁচ বছর পূর্বে জয়গাঁ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের খোকলাবস্তির দেওড়ালি টোল এলাকায় তৈরি করা হয়েছিল সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে পরীক্ষামূলক ভাবে সেসময় তা চালু হলেও, এখনও বন্ধ হয়েই পরে রয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রশাসন সূত্রে খবর, জয়গাঁ এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ওই এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির কথা বলায় স্থানীয়দের বাধা ও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছি প্রশাসনিক আধিকারিকদের। এর ফলে দূষণ ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ। অন্য কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের আবর্জনা ফেলতেও স্থানীয়দের বাঁধার মুখে পড়তে হয়েছিল বলে দাবি প্রশাসনের আধিকারিকদের। যার ফলে অন্যত্র ডাম্পিং গ্রাউন্ড সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় কী না, তা নিয়ে পরিকল্পনা চলছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। পাশাপাশি, জয়গাঁ দুই নম্বর এলাকায় কোনো ফাঁকা জমি না মেলায় এখনও সেখানে ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি করা যায়নি বলে দাবি জয়গাঁ দুই গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অঞ্জু খাতুনের।





