একটি চারাকে বৃক্ষে রূপান্তরিত করতে যেমন যত্ন সহকারে লালন-পালন করা প্রয়োজন, তেমনই ছোট বয়সেই শিশুদের পুষ্টির প্রয়োজন বড় হতে। আলিপুরদুয়ারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দ্বীপচর জি এস এফ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুষ্টি বাগান মডেল হয়েছে গোটা জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে। এ কোনও নার্সারি নাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বুঝতেই পারবেন না আপনি। বিদ্যালয় প্রাঙ্গনেও যে এইভাবে পড়ুয়াদের জন্য পুষ্টিবাগান তৈরি করা যায়, তা দেখে অনেকে অবাক। এই বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের মিড ডে মিলে আর পাঁচটি বিদ্যালয়ের থেকে একটু ভিন্ন স্বাদের খাবার তালিকা থাকে।
advertisement
মিড ডে মিলে লাউ, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পালং, ডাটা, মুলো দিয়ে তৈরি তরকারি খাওয়ানো হয়।সবই ফলেছে স্কুলের এই পুষ্টি বাগানে। কোনও রাসায়নিক সার নয়, গোবর সার দিয়ে হয় সবজি চাষ। বাগান তৈরির উদ্যোগ প্রথম নেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক। যা দেখে স্কুল পড়ুয়ারা বাগান তৈরিতে এগিয়ে আসে। আলিপুরদুয়ার শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে কালজানি নদীর পূর্ব পাশে অবস্থিত দ্বীপচর জি এস এফ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সরকারি এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাগানে পুষ্টিকর সবজির বাহার দেখা যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এখানে ব্রকলিও চাষ করা হচ্ছে। তা রান্না হচ্ছে স্কুলের মিড ডে মিলে। পাত পেরে খাচ্ছে স্কুল পড়ুয়ারা। এর ফলে ছাত্র ছাত্রীদের খাওয়ার আগ্রহ যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে সৃজনশীলতাও। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিবাকর দাস জানান, “আমার বাগান তৈরির নেশা আগের থেকে রয়েছে। স্কুলে একফালি জমি দেখে বাগান করেছি। পড়ুয়াদের বাগান তৈরি করা শিখিয়েছি। ছোট পড়ুয়াদের খুব আগ্রহ। এখন যা সবজি ফলে তা দিয়ে মিড ডে মিল রান্না হয়। যা দেখে আমার খুব ভাল লাগছে।”





