ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন ডাম্পার চালক। তবে তার পায়ে আঘাত লেগেছে। দুর্ঘটনার পর থেকেই সেতুর বাকি অংশও ভাঙতে শুরু করেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই কোচবিহারের মাথাভাঙ্গা এলাকায় ঠিক একই রকমভাবে সেতু ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সেতু বিপর্যয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল ফালাকাটা এলাকায়।
advertisement
এলাকাবাসীদের দাবি, ১৯৯৩ সালে জেলা পরিষদের অর্থে নির্মিত হয়েছিল এই বঙ্কিম সেতুটি। দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটি দুর্বল অবস্থায় ছিল। ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য উপযুক্ত না হওয়া সত্ত্বেও নিয়মিত বড় গাড়ি চলাচলের ফলেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের মত।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটি মেরামত অথবা নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দেওগাঁও থেকে জটেশ্বর পর্যন্ত রাস্তার কাজ শুরু হলেও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসীরা সেই কাজ বন্ধ করে দেন।
বঙ্কিম সেতু ভেঙে পড়ায় দেওগাঁও ও জটেশ্বরের মধ্যে যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
