মৃতদের দেহ লতাবাড়ি ব্লক হাসপাতালে রয়েছেন। মৃত ও জখম চা শ্রমিকরা সকলেই বন্ধ ভার্নাবাড়ি চা বাগানের শ্রমিক। তারা বীচ চা বাগানে কাজ করতে যাচ্ছিলেন। রাস্তায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তারা। এই দুর্ঘটনায় ডুয়ার্সের চা বলয়ে শোকের ছায়া।
advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসিমারা সংলগ্ন এলাকায় এশিয়ান হাইওয়েতে দ্রুত গতিতে আসা একটি ছোট গাড়ি সজোরে তাঁদেরকে ধাক্কা মারে। তড়িঘড়ি আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে কালচিনির উত্তর লতাবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। যেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনজনকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালের রেফার করা হয়েছে।
মৃতদের নাম পুষ্পা দর্জি, বেরথা খরিয়া, রজনী বারলা ও আগস্টিনা মন্ডা। এই ঘটনায় রীতিমত ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাজুড়ে। এশিয়ান হাইওয়ে এলাকায় দিন প্রতিদিন দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়ছে। দিনের আলোয় এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। তারা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। হাসিমারা ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছেন। শুরু হয়েছে ঘটনার তদন্ত।
এদিকে, আবারও জনবসতি এলাকায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আলিপুরদুয়ারের উত্তর রাঙালি বাজনা জাহাদীপাড়ায় এলাকায়। জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যা প্রায় ছ’টা নাগাদ আচমকাই আগুন লাগে একটি বাড়িতে। সেই সময় বাড়ির গৃহপালিত ছাগলগুলোকে মাঠ থেকে এনে ঘরে বেঁধে রাখা হয়েছিল। হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়ায় প্রায় কুড়িটি ছাগলের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে কয়েকটি শাবকও ছিল। ঘটনাস্থলে বাড়ির গৃহকর্তা তপন রায় ঘরের ভিতরেই ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। যদিও তিনি প্রাণে বেঁচে যান। তবে আগুনে পুড়ে যায় ঘরের একাধিক প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও নগদ অর্থ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বীরপাড়া ফায়ার স্টেশন-এর একটি দমকল ইঞ্জিন। তবে তার আগেই স্থানীয় বাসিন্দারা পাশের পুকুর থেকে জল এনে আগুন নেভানোর কাজে হাত লাগান এবং পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনেন। হঠাৎ কী কারণে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখছে দমকল কর্মীরা।
