স্থানীয়রা ওই স্থানে একটি শিবমূর্তিও প্রতিষ্ঠা করেছেন। তারপর থেকেই নিয়মিত পুজো-অর্চনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শিবরাত্রি সামনে রেখে এলাকায় চলছে বিশেষ প্রস্তুতি। ব্রাহ্মণ ডেকে বিধি মেনে পুজো করা হবে বলেও জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, এই স্থানে পুজো দিলে মনের ইচ্ছা পূরণ হয়। এমনকি গাছটিকে সাক্ষী রেখে একাধিক বিবাহও সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি তাদের। লোককথা ও বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে এই গাছটি এলাকায় এক আকর্ষণীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিবরাত্রির দিন এখানে বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হবে। দূর-দূরান্ত থেকে বহু ভক্ত ইতিমধ্যেই এই অদ্ভুত আকৃতির ‘মন্দির গাছ’ দর্শন ও পুজো দিতে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, মানুষের বিশ্বাস ও ভক্তিই এই গাছটিকে আজ বানিপুরের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।





