শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে দেবী বীণাপাণির আগমনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় পুজো। প্রায় দুই শতাব্দী ধরে একই নিয়ম ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই মন্দিরে সরস্বতী পুজো হয়ে আসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৎস্যজীবীদের জালে ধরা পড়া বাঁশ দিয়ে তৈরি বিশেষ এক মাছ ধরার সরঞ্জাম থেকেই এই পুজোর প্রচলন শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই পুজো একটি পূর্ণাঙ্গ ঐতিহ্যের রূপ নেয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ সকালে কাজে এসে ছাঁটাইয়ের নোটিস! রাতারাতি বসিয়ে দেওয়া হল ৫০ জন কর্মীকে, হাওড়া জুট মিলের বাইরে বিক্ষোভ
এখানে দেবীর আরাধনা শুধু একদিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সরস্বতী পুজোর দিন থেকে শুরু করে একাধিক আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পূজিত হন বিদ্যার দেবী। ভীম একাদশীর পরে নিয়ম মেনে মৃন্ময়ী প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হয়। পুজো উপলক্ষে দেবীর প্রসাদেও থাকে নানা বৈচিত্র্য। মনস্কামনা জানাতে ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি দূরদূরান্ত থেকে বহু মানুষ ভিড় জমান এই মন্দিরে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রাচীন এই মন্দিরের সংস্কার কাজ হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দেবীর একটি স্থায়ী প্রতিমা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। আধুনিকতার ভিড়ে দাঁড়িয়েও প্রায় দুশো বছরের ইতিহাস ও সাবেকি রীতিকে আঁকড়ে ধরে আজও মেদিনীপুর শহরের এই সরস্বতী মন্দির স্মরণ করিয়ে দেয়-ঐতিহ্য আর বিশ্বাসের এক অনন্য অধ্যায়।





