পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের রায় রামচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা ক্ষুদিরাম মালিক।দীর্ঘদিন একটি গ্রিলের দোকানে কাজ করতেন তিনি কিন্তু পায়ে চোট পাওয়ার কারণে শারীরিক পরিশ্রমের সেই কাজ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। পায়ের চোট কাজ কেড়ে নিলেও, কাড়তে পারেনি তার মনের জোর। নিজের জমানো পুঁজি দিয়েই দীর্ঘ চার মাসের পরিশ্রমে তৈরি করে ফেলেন এক বিশেষ টোটো যার সামনের অংশটি তিনি তৈরি করেছেন বন্দে ভারত ট্রেনের আদালে।
advertisement
আর টোটোর সামনে লেখেন বন্দে ভারত, যা নজর কেড়েছে সকলের। তবে এই টোটো শুধুমাত্র যে দেখতে অভিনব তাই নয়, এই অন্যান্য টোটো থেকে অত্যাধুনিকও। প্রায় দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকায় ব্যয় তৈরি এই টোটোয় রয়েছে একাধিক বৈশিষ্ট্য। যেখানে সাধারণ টোটোয় ৫-৬ জন বসতে পারেন, সেখানে ক্ষুদিরাম বাবুর এই টোটোয় অনায়াসেই বসতে পারেন ১১ জন যাত্রী। এমনকি গ্রীষ্মকালে টোটোতে চারিদিকে কাঁচ লাগিয়ে নিলেই এতে লাগানো যাবে এসি।
একসময়ের গ্রিল কারখানার সাধারণ কর্মচারী আজ এক অভিনব ‘বন্দে ভারত’ টোটোর নির্মাতা।তার উদ্ভাবন আজ শুধু তাঁর আয়ের উৎস নয়, বরং অদম্য ইচ্ছাশক্তির এক উদাহরণ। সাধারণ টোটোর ভিড়েও ক্ষুদিরাম মালিকের এই অভিনব টোটো নজর কেড়েছে সকলের।





