শুধু বিধায়ক নয়, অন্ডাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিষাক্ত ছাই নিয়ে প্রবল ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, অন্ডাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় এসপন ছাই। যা বিষাক্ত। এই ছাই আবার বেসরকারি ঠিকাদার সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরবরাহ করা হয়।
আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকারের কাজ খতিয়ে দেখতে খড়গপুরে রাজ্যের পরিদর্শক
advertisement
তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ছাই ভর্তি ডাম্পার ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড ধরে করে যাতায়াত। পরিবহনের সময় ডাম্পার থেকে ছাই উড়ে ছড়িয়ে পড়ে রাস্তার আশপাশে। যে কারণে এলাকায় তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। বিষাক্ত ছাই ওড়ার ফলে এলাকায় ছড়াচ্ছে দূষণ। নানারকম শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
রাস্তার উপর পড়ে থাকা ছাই উড়ে কমছে দৃশ্যমানতা, ঘটছে বিপদ। অন্ডাল থেকে কাজোড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তার দু-ধারে থাকা ধাবা ও হোটেল মালিকদের অভিযোগ, ছাই উড়ে পড়ছে খাবারের উপর। ফলে তাঁদের গ্রাহক কমছে। বেশ কয়েকবার ছাই বোঝাই ডাম্পার আটকে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাতে লাভ কিছু হয়নি বলে অভিযোগ।
বিষয়টি নিয়ে এলাকার তৃণমূল বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ছাই থেকে সমস্যা হচ্ছে। দূষণ ছড়াচ্ছে। তাই এই বিষয়ে ডিভিসি কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। পরিবহণের সময় যাতে ছাই না ওড়ে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
পরিবহনের সময় ডাম্পারের ছাই ঢাকা দেওয়া, রাস্তায় নিয়মিত জল স্প্রে করা, রাস্তার উপর পড়ে থাকা ছাই পরিষ্কার করার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। এদিকে ডিভিসি নিয়ম অগ্রাহ্য করে ইচ্ছেমতো ছাই পরিবহণ করছে বলে অভিযোগ। এই প্রসঙ্গে অন্ডাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুধীন পান্ডে বলেন, দূষণ বন্ধ করার জন্য ডিভিসি কর্তৃপক্ষকে ইতিমধ্যেই পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে তিনবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। এরপরও কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নয়ন ঘোষ





