বিশ্বকাপের সাফল্যের পর প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনার কারণে রিচা এখনও দলের সঙ্গেই রয়েছেন। তবে বাবা-মা ইতিমধ্যেই শহরে ফিরে এসেছেন, আর ফিরেই মুখোমুখি হয়েছেন সংবাদমাধ্যমের। মেয়ের কৃতিত্বের কথা বলতে গিয়ে আবেগে ভেসে যান বাবা মানবেন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, “আমি কখনও ভাবিনি, আমার মেয়ে দেশের হয়ে এমন সাফল্য এনে দেবে। প্রথমে ওকে ক্রিকেটে ভর্তি করেছিলাম শুধুমাত্র সুস্থ থাকার জন্যই। কিন্তু খেলার প্রতি ওর ভালবাসা, পরিশ্রম—সবকিছুই আজ এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে।”
advertisement
আরও পড়ুন: টাকার ভাঁড় বেচেই ৭৫ বছর ধরে আয় দুর্গাপুরের ব্যবসায়ীর! তবে ব্যবসাতে রয়েছে অন্যরকম বিজনেস আইডিয়া
মা শম্পা ঘোষের গলাতেও একই আবেগ, “দীর্ঘদিন পর মেয়েকে বাড়িতে পাব, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আনন্দ। ওর পছন্দের সব খাবার নিজে হাতে তৈরি করে খাইয়ে দিতে মুখিয়ে আছি।” রিচার শহরে ফেরার সম্ভাব্য দিন ৭ নভেম্বর। যদিও মাত্র এক দিনের জন্যই বাড়ি ফিরবে সে—৮ তারিখেই দলের পরবর্তী অনুষ্ঠানের জন্য আবার যাত্রা করতে হবে। তাই এই একদিনকে স্মরণীয় করে তুলতে শুরু হয়ে গেছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শিলিগুড়ির সুভাষপল্লী এলাকায় রিচার বাড়ি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে টুনি লাইট, রঙিন পতাকা ও ব্যানারে। বন্ধুবান্ধব, কোচ, পাড়ার মানুষ—সবাই ব্যস্ত তাঁদের ‘রিচা দি’-র স্বাগত আয়োজনে। কেউ বাড়ির সামনে ব্যানার বাঁধছেন, কেউ আবার হাতে প্ল্যাকার্ড বানাচ্ছেন ‘গর্ব আমাদের রিচা ঘোষ’ লিখে। শহরের রাস্তায় রিচার প্রত্যাবর্তনের খবর ছড়াতেই উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে শিলিগুড়ি। স্কুলের তরফেও পরিকল্পনা চলছে, যেন তারকার মতো অভ্যর্থনা দেওয়া যায় প্রাক্তন ছাত্রীকে। বিশ্বজয়ী রিচার এই একদিনের ফেরা যেন শুধু এক মেয়ের ঘরে ফেরা নয়—এক শহরের গর্বের উৎসব। ক্রিকেট মাঠ থেকে শুরু করে ঘরের উঠোন—সবখানেই আজ প্রতিধ্বনিত একটাই নাম, রিচা ঘোষ, বাংলার গর্ব, দেশের সোনার মেয়ে।





