এদিন ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ১৮.৪ ওভরেই ১৪১ রানে অলআউট হয়ে যায় এলএসজি। শুরুতে মিচেল মার্স ৩৫ ও শেষে আবদুল সামাদ ৩৬ রানের ইনিংস না খেললে আরও সমস্যায় পড়ত লখনউ। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং অ্যাটাকের সামনে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে ছন্দে ফিরতে পারেনি এলএসজি ব্যাটিং। লুঙ্গি এনগিডি ও টি নটরাজন ৩টি করে উইকেট। এছাড়া কুলদীপ যাদব ২টি ও অক্ষর প্যাটেল একটি উইকেট নেন।
advertisement
১৪২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। কেএল রাহুল, পাথুম নিশাঙ্কা, নীতিশ রানা, অক্ষর প্যাটেল সকলেই ব্যর্থ হন। চাপে মুহূর্তে দলের ইনিংসের রাশ ধরেন সমীর রিজভি ও ট্রিস্টান স্টাবস। শুরুতে একটু সমস্যায় পড়লেও সেট হতেই মারকাটারি ব্যাটিং শুরু করেন রিজভি। খেলেন একের পর এক চোখ ধাঁধানো শট।
দিল্লিকে শুধু চাপ থেকে বার করাই নয়, সরজেই জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যায় এই জুটি। রিজভির আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখে ঠান্ডা মাথায় ব্যাটিং করেন স্টাবস। শতরানের পার্টনারশিপও পূরণ করেন তারা। ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি করেন রিজভি। ১৭ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। ৪৭ বলে ৭০ রানে সমীর রিজভি ও ৩২ বলে ৩৯ রান করে ট্রিস্টান স্টাবস অপরাজিত থাকেন।
প্রসঙ্গত, সমীর রিজভি (জন্ম ৬ ডিসেম্বর ২০০৩) উত্তর প্রদেশের এক প্রতিভাবান ভারতীয় ক্রিকেটার। তিনি ডানহাতি আক্রমণাত্মক ব্যাটার এবং প্রয়োজনে অফ-স্পিন বলও করতে পারেন। স্পিন বোলারদের বিরুদ্ধে দাপুটে ব্যাটিংয়ের জন্য তিনি “স্পিন-ভাঙা ব্যাটার” হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশ টি-টোয়েন্টি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি প্রথম নজর কাড়েন।
আরও পড়ুনঃ KKR vs SRH: হায়দরাবাদ ম্যাচের আগে কেকেআর শিবিরে খুশির খবর! অনুশীলনের পর আশার আলো দেখছে দল
২০২৩ সালের সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে তিনি দারুণ পারফরম্যান্স করেন। ওই টুর্নামেন্টে উত্তর প্রদেশের হয়ে সর্বাধিক ২৭৭ রান করেন এবং দ্রুত গতিতে রান তোলার ক্ষমতা দেখিয়ে সকলের নজর কাড়েন। এরপর ২০২৪ সালের আইপিএল মরশুমে চেন্নাই সুপার কিংস তাঁকে ৮.৪০ কোটি টাকায় দলে নেয়। পরবর্তীতে ২০২৫-২০২৬ মরশুমে তিনি দিল্লি ক্যাপিটালস দলে যোগ দেন।
