জেলার ফুটবল ইতিহাসে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য। কিন্তু আজ সেই মানুষটাই নীরবে হারিয়ে গেছেন। তিনি এগরা ঝাটুলাল হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। স্কুল জীবন থেকেই ফুটবল খেলার প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ তৈরি হয়। পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে মাঠে ছুটে যেতেন। ফুটবলই ছিল তাঁর সবকিছু। সেই আগ্রহ ধীরে ধীরে দক্ষতায় বদলে যায়। কলেজ জীবনে এসে সেই দক্ষতা পরিচিতি পায়। কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ থেকে স্নাতক পাস করেন। কলেজে পড়াকালীন ফুটবল খেলেই তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে তাঁর নাম।
advertisement
ফুটবলে তাঁর পারদর্শিতা খুব দ্রুত তাঁকে জেলার পরিচিত মুখ করে তোলে। তাঁর সময়ে তিনি ছিলেন জেলার জনপ্রিয় ফুটবলার। একের পর এক ম্যাচে নিজের প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। রয়েছে একাধিক শংসাপত্র ও সম্মান। সম্মানের ঝুলিও ছিল তাঁর বেশ ভারী। সেই সব পুরস্কার আজও তাঁর বাড়িতে যত্ন করে সাজান রয়েছে। প্রতিটি শংসাপত্র যেন এক একটি স্মৃতির দলিল। এক একটি সময়ের কথা বলে। এক সময়ের গৌরব আজও তাঁর ঘরে জীবন্ত।
সময় গড়িয়েছে। বয়সের ভার তাঁকে নুইয়ে দিয়েছে। বর্তমানে তাঁর বয়স ৭৭ বছর। এখন আর আগের মত মাঠে যাওয়া সম্ভব হয় না। শরীর সঙ্গ দেয় না। কিন্তু স্মৃতি আজও অমলিন।
আরও পড়ুন- বসিরহাটেই এবার বাম্পার রোমাঞ্চ, ঘোষ বাড়ি স্পটে অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টস- স্কাই সাইক্লিং
এক সময়ের জেলার জনপ্রিয় ফুটবলার আজ নিভৃত জীবনযাপন করছেন। চোখের আড়ালে চলে গেছেন তিনি। সত্যিই বাংলার কোনায় কোনায় এমন কত প্রতিভা লুকিয়ে আছে। যারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অতীত হয়ে যায়। রতনলাল দাসের মত মানুষদের না দেখলে তা বোঝা যায় না। তাঁর জীবন আজও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা।





