টি–২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারত ও ইংল্যান্ড এর আগে দুইবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে—২০২২ এবং ২০২৪ সালে। ২০২২ সালের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ১০ উইকেটে বড় জয় পায়। জস বাটলার ও অ্যালেক্স হেলস দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতের দেওয়া লক্ষ্য সহজেই পেরিয়ে যান। সেই জয়ের ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ড পরে ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।
তবে ২০২৪ সালে ভারত সেই হারের বদলা নেয়। জর্জটাউনের প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ভারত প্রথমে ব্যাট করে ১৭১ রান তোলে। রোহিত শর্মার ৫৭ রানের ইনিংসের পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদব ও হার্দিক পান্ডিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। পরে ভারতীয় বোলারদের দাপটে ইংল্যান্ড মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। ভারত ৬৮ রানের বড় জয় পেয়ে ফাইনালে ওঠে এবং পরে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জেতে।
advertisement
১৯৮৭ সালে আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপ, যা তখন ‘রিলায়েন্স বিশ্বকাপ’ নামে পরিচিত ছিল, সেই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল হয়েছিল এই মাঠে। তখন ভারত ছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। সেই ম্যাচে গ্রাহাম গুচের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে ২৫৪ রান তোলে। কাপিল দেবের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় দল ২১৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়।
ভারত ও ইংল্যান্ডের সেমিফাইনাল লড়াইয়ের আরেকটি মজার দিক হলো—এখন পর্যন্ত যে দল এই ম্যাচ জিতেছে, সেই দলই শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পেরেছে। তাই এবারের ম্যাচের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। ইতিহাস বলছে, সেমিফাইনালের জয়ই অনেক সময় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথ তৈরি করে দেয়।
আরও পড়ুনঃ গড় মাত্র ১০! সেই ক্রিকেটারকেই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বাজি ধরছে ভারত, নামতে চলেছেন ওপেনে
টি–২০ বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানেও ভারত কিছুটা এগিয়ে। এখন পর্যন্ত মোট পাঁচটি ম্যাচে ভারত জিতেছে তিনটি এবং ইংল্যান্ড জিতেছে দুটি। তাই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের এই হাইভোল্টেজ সেমিফাইনালে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিতে চাইবে। ক্রিকেটপ্রেমীরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কে উঠবে এবারের ফাইনালে।
