ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন অজিঙ্কে রাহানে। পাওয়ার প্লে-তেই বিধ্বংসী ব্যাটিং করে কেকেআরকে একপ্রকার ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছিলেন ট্রেভিস হেড ও অভিষেক শর্মা। ৬ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ৮৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেলেন দজনে। অভিষেক ২১ বলে ৪৮ ও হেড ২১ ৪৬ রান করেন। এরপর হেনরিক ক্লাসেনের ৩৫ বলে ৫২ রানের অনবদ্য ইনিংস ও নীতিশ কুমার রেড্ডির ২৪ বলে ৩৯ রানের ইনিংস হায়দরাবাদকে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রানে পৌছে দেয়। কেকেআর বোলিংয়ে একমাত্র মুজারবানি ৪টি উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন।
advertisement
রান তাড়া করতে নেমে ফিন অ্যালেন শুরুটা ভাল করলেও বড় স্কোর করতে পারেননি। ৭ বলে ২৮ রান করেন তিনি। এদিন রান পাননি অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানেও। আংক্রিশ রঘুবংশী ও রিঙ্কু সিং আশা জাগিয়ে রেখেছিল কেকেআর ফ্যানেদের। হাফ সেঞ্চুরি করেন রঘুবংশী। ২৯ বলে ৫২ রান করেন তিনি। রিঙ্কু সিং করেন ৩৫ রান। কিন্তু খারাপ শট সিলেকশন ও নিজেদের মধ্যে তালমেলের অভাবে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে কেকেআর।
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি রান আউটও ম্যাচ হারার জন্য যথেষ্ট। ক্যামেরন গ্রিন ও সেট ব্যাটার আংক্রিশ রঘুবংশী রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। যা নিয়ে সমালোচনা করেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরাও এছাড়া কোনও কেকেআর ব্যাটার এদিন লড়াই দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৬ ওভারে ১৬১ রানে অলআউট হয়ে যায় অজিঙ্কা রাহানের দল। এই হারের ফলে পয়েন্ট টেবিলে ৯ নম্বরে থাকল নাইটরা।
