জাপান হেড-কোয়ার্টার থেকে আগত কিংবদন্তি প্রশিক্ষক সেনসাই কাজুয়াকি কুরিহারা-র উপস্থিতিতে আয়োজিত এই মেগা প্রতিযোগিতায় জুনিয়র থেকে সিনিয়র, সব বিভাগেই কাটোয়ার আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে একের পর এক পদক জিতে কাটোয়ার প্রতিযোগীরা নিজেদের দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে জাতীয় মঞ্চে।অনূর্ধ্ব ১২ বছর মেয়েদের বিভাগে ঋতজা রায় টিম-কাতা ও কুমিতে বিভাগে দুটি সোনা এবং কাতা বিভাগে একটি রুপো জিতে সকলকে তাক লাগিয়ে দেয়। একই বিভাগে দেবদত্তা মুখোপাধ্যায় টিম-কাতায় সোনা এবং কুমিতে বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করে।
advertisement
এই বিভাগেই কাটোয়ার শক্তিশালী উপস্থিতি নজর কাড়ে। অনূর্ধ্ব ১৫ বিভাগে ছেলেদের মধ্যে নীলাদ্রি রায় কাতা বিভাগে সোনা এবং টিম-কাতায় ব্রোঞ্জ জিতে নেয়। মেয়েদের মধ্যে সঞ্চারী দত্ত কাতা ও কুমিতে বিভাগে রুপো এবং টিম-কাতায় ব্রোঞ্জ অর্জন করে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেয়। পাশাপাশি অনূর্ধ্ব ১৮–২০ বয়েজ বিভাগে দেব কুমার মণ্ডল কাতা ও টিম-কাতা, উভয় বিভাগেই রুপো পদক জিতে কাটোয়ার সাফল্যের ভান্ডার আরও সমৃদ্ধ করে।সিনিয়র বিভাগে মেয়েদের মধ্যে অভাবনীয় সাফল্য পান প্রিয়া হাজরা ও রমা দত্ত। প্রিয়া দুটি সোনা ও একটি রুপো জেতেন, অন্যদিকে রমা দত্তও দুটি সোনা ও একটি রুপো পদক অর্জন করেন। মন্দিরা রায় টিম-কাতা বিভাগে সোনা জিতে নেন। পাশাপাশি মাস্টার্স বিভাগে আকাশ হাজরা কাতা ও কুমিতে বিভাগে দুটি রুপো জিতে প্রমাণ করেন বয়স কখনওই সাফল্যের পথে বাধা নয়।এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ৯টি রাজ্য থেকে প্রায় ২০০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই প্রতিযোগিতায় কাটোয়ার এই বিপুল সাফল্য জেলা ও রাজ্যের ক্রীড়ামহলে বিশেষ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
ছাত্র-ছাত্রীদের এই কৃতিত্বে গর্বিত তাঁদের পরিবার-পরিজন এবং সমগ্র কাটোয়াবাসী।কোচ আকাশ হাজরা বলেন, “এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। কোচ হিসেবে আমি আমার সবটুকু দিয়ে ওদের তৈরি করেছি। এই সাফল্যের পর ওরা আন্তর্জাতিক স্তরের প্রতিযোগিতাতেও অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে,এই বিশ্বাসটাই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”
Banowarilal Chowdhary






