এরাসমাস চার ওভারে চার উইকেট নিয়ে ম্যাচে বড় প্রভাব ফেলেন। তিনি মাত্র ২০ রান দেন এবং ইশান কিশান, তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেলদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের আউট করেন। তার নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেন্থ ও ভিন্ন ভিন্ন ভঙ্গির বল ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন-আপকে চাপে রাখে।
ম্যাচের শুরুতে ভারতের রান দ্রুত বাড়ছিল। সাত ওভার শেষে স্কোর ছিল ১ উইকেটে ১০৪। ইশান তখন দুর্দান্ত খেলছিলেন। ঠিক সেই সময় ইরাসমাস রাউন্ড-আর্ম ভঙ্গির এক বল করে তাকে আউট করেন। এরপর তিনি কখনও ধীর বল, কখনও নিচু বল ব্যবহার করে ব্যাটারদের তাল কাটিয়ে দেন।
advertisement
এই পারফরম্যান্স ভারত শিবিরে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। কারণ সামনে তাদের ম্যাচ পাকিস্তান-এর বিরুদ্ধে। পাকিস্তানের স্পিনার উসমান তারিক-এর বোলিং অ্যাকশন অনেকটাই ইরাসমাসের মতো। ফলে ভারতীয় ব্যাটারদের একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।
তারিকের বিশেষত্ব হলো তার তির্যক দৌড়ে এসে বল করা এবং বল ছোড়ার আগে কয়েক সেকেন্ড থেমে যাওয়া। তার হাত পুরো সোজা হয় না, ফলে বলের গতি ও ঘূর্ণন বুঝতে ব্যাটারদের সমস্যা হয়। এই ভিন্নধর্মী কৌশলই তাকে বিপজ্জনক করে তোলে।
আরও পড়ুনঃ IND vs PAK: যা ছিল শক্তি এখন সেটাই দুর্বলতা! পাকিস্তান ম্যাচে বড় চিন্তা ভারতের! কোন পথে সমাধান?
এখন ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম-এ ভারত বনাম পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এক ম্যাচে তিন উইকেট নিয়ে তারিক ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন। তাই নামিবিয়া ম্যাচের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতকে এবার নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নামতে হবে।
