এবারের লিগে দু’টি গ্রুপে মোট ১৪টি দল অংশ নিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শুরু করে সুন্দরবন সংলগ্ন বিভিন্ন প্রান্তের দলগুলির অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতায় বৈচিত্র্য ও বাড়তি উত্তেজনা এসেছে। বিএসএসএ মাঠে লিগের প্রথম ম্যাচের সকাল থেকেই দর্শকদের ঢল নামে। মাঠজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। দীর্ঘদিন পর এলাকায় এমন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফিরে আসায় খুশি স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা।
advertisement
এই প্রসঙ্গে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক নবাব ভট্টাচার্য্যের বসিরহাটের প্রতিনিধি ও বসিরহাট মহকুমা ক্রীড়া সংস্থার প্রাক্তন সম্পাদক বরুণ ভট্টাচার্য্য বলেন, “করোনার পর খেলাধূলার পরিসর অনেকটাই থমকে গিয়েছিল। এই লিগের মাধ্যমে তরুণ ক্রিকেটাররা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই প্রতিযোগিতাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্থানীয় ক্রিকেটপ্রেমী তাপস দাসের কথায়, “এত বড় মাপের ক্রিকেট লিগ আবার বসিরহাটে হবে ভাবিনি। ছেলেরা ভাল মানের ক্রিকেট খেলছে। নিয়মিত এমন লিগ হলে এখান থেকে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার উঠে আসবে।” সব মিলিয়ে, বসিরহাটের এই ক্রিকেট লিগ কেবল একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়— এটি দীর্ঘ বিরতির পর এলাকার ক্রীড়া সংস্কৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই মনে করছেন সকলে।





