শহরের বিভিন্ন মোড়, বাজার এলাকা এবং পাড়া-মহল্লায় দেখা যায় মানুষের ঢল। হাতে জাতীয় পতাকা, কারও হাতে আবার বড় বড় কাপের প্রতিরূপ নিয়ে আনন্দে মাততে দেখা যায় সাধারণ মানুষকে। ৮ থেকে ৮০—সব বয়সের মানুষই এই ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতে রাস্তায় নেমে পড়েন। অনেকেই আবার দল বেঁধে মিছিল ও পদযাত্রার মাধ্যমে ভারতীয় দলের এই সাফল্য উদ্যাপন করেন। ‘ভারত মাতা কি জয়’ এবং ভারতের জয়ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে শহরের পরিবেশ।
advertisement
উল্লাসের রেশ ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাঁকুড়া জেলা জুড়েই। শুধু শহর নয়, জেলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলেও মানুষ আতশবাজি ফাটিয়ে এবং মিষ্টি বিলিয়ে উদ্যাপন করেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়। বিশেষ করে জঙ্গলমহল এলাকাতেও একই রকম উচ্ছ্বাসের ছবি ধরা পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় অতিকায় জাতীয় পতাকা নিয়ে মানুষের পদযাত্রা এবং বিজয় মিছিল। ক্রিকেটপ্রেমীদের এই আনন্দ যেন থামতেই চাইছিল না।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রাত প্রায় ১১টা পেরিয়ে গেলেও শহরের রাস্তায় তখনও উৎসবের আমেজ। অনেকেই বলছেন, ভারতের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়। আর সেই আনন্দেই বাঁকুড়ার মানুষও নিজেদের মতো করে উৎসবের রঙে মেতে উঠেছেন। শহর থেকে গ্রাম—সব জায়গাতেই একটাই সুর, ভারতের জয়ে গর্বিত গোটা দেশ।





