বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-এর বিরুদ্ধে অন্যায্য সূচি নির্ধারণের অভিযোগ তুলেছে। ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা টি২০ বিশ্বকাপে জাতীয় দল পাঠাতে অস্বীকার করার পর থেকেই বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে।
আসন্ন টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে তার জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এবার বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হাবিবুল বশর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ সূচি নিয়ে আইসিসির সমালোচনা করেছেন।
advertisement
প্রথমে বাংলাদেশ দলের মাসভিঙ্গোতে দুটি ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলার কথা ছিল। এর পর মূল ড্রয়ের জন্য তাদের হারারে যাওয়ার কথা। কিন্তু বশর জানান, আইসিসি পরে সূচি পরিবর্তন করে। এর ফলে দলকে দুটি আলাদা ভেন্যুতে অনুশীলন ম্যাচ খেলতে হয়, যেগুলোর মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টার দূরত্ব ছিল।
তিনি আরও বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে ছেলেরা যেন বেশি ক্লান্ত না হয়ে পড়ে, সে জন্য বিসিবি নিজস্ব খরচে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছিল। কারণ বাসে যাত্রা ছিল খুব দীর্ঘ এবং সরাসরি ফ্লাইট সহজে পাওয়া যাচ্ছিল না।”
রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের হেড কোচ নবীদ নওয়াজ ও একাধিক খেলোয়াড় এই ব্যস্ত ও ক্লান্তিকর সূচি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। প্রথম গ্রুপ ম্যাচের আগে তাদের হারারে থেকে বুলাওয়েও পর্যন্ত প্রায় ৯ ঘণ্টার বাসযাত্রা করতে হয়েছিল, তাও আবার বর্ষার সময়।
ম্যাচগুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় বিসিবি ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে এবং তার পুরো খরচ নিজেই বহন করে। তবে ভ্রমণজনিত সমস্যার এখানেই শেষ হয়নি। ২৩ জানুয়ারি ম্যাচের জন্য আবার তাদের বাসে করে বুলাওয়েও ফিরতে হয় এবং এর পর ২৬ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার সিক্স ম্যাচের জন্য আবার সড়কপথে যাত্রা করতে হয়।
আরও পড়ুন- অধিনায়ক হিসেবে কোচের কাজে ব্যাগড়া দিতেন নাকি,রোহিতকে নিয়ে মুখ খুললেন ভারতের কোচ
বশর বলেছেন, “আমাদের জন্য এই সূচি ছিল অত্যন্ত অন্যায্য। প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, আমাদের মাসভিঙ্গোতে দুটি ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ খেলে চার ঘণ্টার সফর শেষে বুলাওয়েওতে প্রথম দুটি গ্রুপ ম্যাচ খেলার কথা ছিল। কিন্তু পরে আইসিসি হঠাৎ করে সূচি বদলে দেয়। এর ফলে আমাদের বিভিন্ন জায়গায় অনুশীলন ম্যাচ খেলতে হয়েছে এবং বারবার যাতায়াত করতে হয়েছে।”
