প্রথম সাফল্য আসে স্কুল পর্যায়ে—স্কুল জিমন্যাস্টিক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে রাজন্যা। সেখান থেকেই শুরু হয় তার জয়যাত্রা। পরবর্তীতে স্কুলের প্রতিনিধিত্ব করে পঞ্চায়েত স্তরে অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অর্জন করে সে। এরপর একে একে সার্কেল স্তর, বিষ্ণুপুর সাব-ডিভিশন ও জেলা স্তরের প্রতিযোগিতায় নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে পরপর প্রথম স্থান দখল করে রাজন্যা। সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে রাজ্য স্তরে। রাজ্য জিমন্যাস্টিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থান অধিকার করে সোনার পদক জয় করে রাজন্যা রায়।
advertisement
এই কৃতিত্বের মাধ্যমে সে শুধু নিজের পরিবার নয়, গোটা বাঁকুড়া জেলার গর্বে পরিণত হয়েছে রাজন্যার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে তার বাবা-মায়ের নিরন্তর সহযোগিতা ও উৎসাহ। পাশাপাশি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা সবসময় তাকে অনুপ্রেরণা জুগিয়ে গিয়েছেন। জিমন্যাস্টিক প্রশিক্ষক মুকেশ চৌধুরীর কাছেই নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজের দক্ষতাকে আরও নিখুঁত করে তুলছে সে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, জিমন্যাস্টিকের পাশাপাশি রাজন্যা নাচ, গান, আঁকা ও পড়াশোনাতেও সমান পারদর্শী। পাত্রসায়ের ব্লকের তেলুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এই ছাত্রী ইতিমধ্যেই তার বহুমুখী প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। এত অল্প বয়সেই লক্ষ্য স্থির রেখে যেভাবে এগিয়ে চলেছে রাজন্যা রায়, তাতে তার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী গোটা বাঁকুড়া জেলা।
Neelanjan Banerjee





