প্রায় খালি হাতেই বাড়ি থেকে আদিযোগীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন এই যুবক। দীর্ঘ সফরে ভরসা স্থানীয় মানুষের সাহায্য-সহযোগিতা। ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ-ছয় মাস অতিক্রান্ত করে পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে পৌঁছেছেন তিনি। লক্ষ্য একটাই, দণ্ডী কেটে আদিযোগীর কাছে পৌঁছন।
আরও পড়ুনঃ বিদ্যাসাগরের আদর্শে আলোকিত মেদিনীপুর! শুরু হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাসাগর মেলা, জেলা জুড়ে উৎসবের আবহ
advertisement
সেই অদম্য সংকল্প নিয়েই পূর্ব বর্ধমান থেকে যাত্রা শুরু করেছেন দীপ। কঠোর সাধনা ও গভীর বিশ্বাসকে সঙ্গী করে তিনি একের পর এক পথ অতিক্রম করছেন। দণ্ডী কেটে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের নারায়ণগড়ে এসে পৌঁছন তিনি। এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে সংবর্ধনা দেন এবং তাঁর এই অসাধারণ যাত্রার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
ঈশ্বরের প্রতি অটুট বিশ্বাসই দীপের একমাত্র শক্তি। শারীরিক কষ্ট, দীর্ঘ সময়, ক্লান্তি, সবকিছুকেই তিনি শিবভক্তির জোরে অতিক্রম করছেন। তাঁর কথায়, ২০২৩ সালেও তিনি একইভাবে কেদারনাথ যাত্রা সম্পন্ন করেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাই তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। এবার তাঁর লক্ষ্য, আদিযোগীর কাছে পৌঁছে নিজের সাধনার পূর্ণতা লাভ করা।
দীপ জানান, ছোটবেলায় তিনি একটি গুরুতর অসুখে ভুগতেন। সেই কঠিন সময় থেকেই ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস আরও গভীর হয়। ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং তখন থেকেই মনে দৃঢ় সংকল্প জন্মায়। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ এবং সেই বিশ্বাস নিয়েই এগিয়ে চলেছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্ব বর্ধমানের বাসিন্দা দীপের বাবা পেশায় চাষি। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে দীপের এই কঠোর সাধনা অনেককেই অনুপ্রাণিত করছে। নারায়ণগড়ে বহু মানুষ তাঁকে এক ঝলক দেখতে ভিড় জমান। তাঁর এই আত্মত্যাগ ও বিশ্বাসের যাত্রাকে অনেকেই সাধুবাদ জানাচ্ছেন। দীপের দৃঢ় বিশ্বাস, যত সময়ই লাগুক, আদিযোগী অবশ্যই পৌঁছবেন।





