সমাজে পিছিয়ে পড়া মানুষজনকে সঙ্গে নিয়ে দাবি আদায় করেছেন ঝর্ণা আচার্য। তাঁদের প্রাপ্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সচেতন করা, বিভিন্ন অফিসে দৌড়াদৌড়ি করে তাঁদের সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কাজ শুরু করেন কলেজ জীবন থেকে। কখনও রেশন মেলেনি, কখনও কাজ করে মেলেনি প্রাপ্য বেতন। জঙ্গল নির্ভর পিছিয়ে পড়া মানুষজন বারংবার পড়েছেন বিপদে, গ্রামের পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর সম্প্রদায়ের মানুষ সমস্যায় পড়লে ছুটে গিয়েছেন ঝর্ণা আচার্যর কাছে । এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজের খরচেই করেন এই কাজ।
advertisement
বাবার সমাজ কর্মে অনুপ্রাণিত হয়ে স্কুল-কলেজ জীবন থেকে ঝর্ণা আচার্যর যাত্রা শুরু। কখনও অবিভক্ত মেদিনীপুর, কখনও বাঁকুড়া, কখনও আবার অযোধ্যা পাহাড়ের তলদেশে থাকা পিছিয়ে পড়া মানুষজনের সংগঠিত করে দাবি-দাওয়ার আন্দোলনে নেমেছেন ঝর্ণা।
নিজের জীবনের ৫৫ টা বছর কাটিয়েছেন। মানুষের দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করেছেন প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ বছর। নিজের কথা না ভেবে, মানুষদের জন্য লড়েছেন। কখনও মানুষের জন্য বিভিন্ন ফর্ম ফিল-আপ করে প্রশাসনিক দফতরে জমা দিয়েছেন, কখনও আবার সারাদিন বাইরে-বাইরে ঘুরে মানুষের অভাব-অভিযোগ জেনে সংশ্লিষ্ট দফতরে যোগাযোগ করেছেন।





